মেইন ম্যেনু

যাদের প্রথম পছন্দ হিলারি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রথম পছন্দ ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। আগামী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তারা পছন্দ করেন না।

বিখ্যাত ফরচুন ম্যাগাজিনের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। গত বুধবার ওই জরিপ প্রকাশ করা হয়।

জরিপে দেখা যায়, ‘ফরচুন ৫’শ সিইও’ নামে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে ৫শ’ যাঁদরেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) পছন্দ বাছাই করা হয়েছে।

সে অনুযায়ী ৫শ’ সিইও’র বেশির ভাগই সমর্থন করেন ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে। শতকরা ৫৮ ভাগ সমর্থন করছেন হিলারিকে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন শতকরা ৪২ ভাগ। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ওয়ালমার্ট, এক্সোন মোবাইল, শেভরন, অ্যাপল, বার্কশায়ার হ্যাথওয়ে, জেনারেল মোটরস, জেনারেল ইলেকট্রিক, ফোর্ড মোটরস, এটিঅ্যান্ডটি, এইচপি, জেপি মর্গান চেজ, আইবিএম, বোয়িং, অ্যামাজন ডট কম প্রভৃতি।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এসব কোম্পানির রয়েছে বিপুল অংকের ব্যবসা। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবসাবিরোধী বক্তব্য সমর্থন করছেন না।

তারা বলছেন, সম্পর্ক ছিন্ন করা নয়, ব্যবসার ক্ষেত্রে যেসব বাধা আছে তা দূর করতে হবে। গুগল ও ফেসবুকের মতো সদস্যরা ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ সমর্থন করছে।

এ চুক্তির অধীনে বিশ্ব অর্থনীতির শতকরা ৪০ ভাগ ব্যবসা হবে। কিন্তু একে ভয়াবহ বলে আখ্যায়িত করেছেন ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, অভিবাসন নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে নীতি তা নিয়ে এরই মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মেক্সিকো সীমান্তে তিনি দেয়াল নির্মাণ করতে চান।

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী ১ কোটি ১০ লাখ অভিবাসীকে তাদের স্ব স্ব দেশে ফেরত পাঠাতে চান। ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ফোরাম, সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেস, মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউট, ক্যাটো ইনস্টিটিউট এবং আমেরিকান একশন ফোরাম হিসাব কষে বলছে, ট্রাম্পের এসব নীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে কমপক্ষে ১৬,৬০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে।

এদিকে আমেরিকান একশন ফোরাম বলছে, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করে তাদের ফেরত পাঠানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এক বছরে কমে যাবে শতকরা ২ ভাগ। এসব কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তারা পছন্দ করছেন না।






মন্তব্য চালু নেই