মেইন ম্যেনু

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যের ইনস্টিটিউট ফর ফিসিক্যাল স্টাডিজের (আইএফএস) এক গবেষণায় বলা হয়েছে উচ্চ শিক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে যুক্তরাজ্যের শ্বেতাঙ্গরা। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা যুক্তরাজ্যে বসতি স্থাপনকারীদের তুলনায় শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণে পিছিয়ে রয়েছে। যুক্তরাজ্যের শীর্ষ পর্যায়ের উচ্চশিক্ষা দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে জায়গা করে নেওয়ার প্রতিযোগীতায় অন্যরা শ্বেতাঙ্গ তরুণদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। আর এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য রয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের মত দেশগুলো।

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি ছেলে-মেয়েদের শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের হার প্রায় ৪৯ শতাংশ বেশি। যেখানে কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবীয় তরুণরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায় ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ, পাকিস্তানিদের ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এদিকে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের তুলনায় ভারতীয় তরুণদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ দ্বিগুণের বেশি, তাদের ৬৭ দশমিক ৪ শতাংশ উচ্চশিক্ষা গ্রহন করে থাকে। তবে তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে চীনা তরুণরা। এদের ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়।

যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে খ্যাতনামা ৫২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে কাজ করেন গবেষকরা। গবেষণার পর একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেন তারা। গবেষণায় দেখা যায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে জায়গা করে নেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অভিবাসী তরুণরাই শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ তরুণদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

প্রতিবেদটিতে আরো বলা হয়, সবচেয়ে কম সম্পদশালী শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। অন্যদিকে সবচেয়ে দরিদ্র চীনা পরিবারের সন্তানদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রবণতা এর চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি।

যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির সহকারী অধ্যাপক ড. ক্লেয়ার ক্রাফোর্ড বলেন, উচ্চশিক্ষায় শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের অংশগ্রহণের এ প্রতিবেদন সত্যিই বিচলিত হওয়ার মতো। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বিশেষ করে এটা দেখে অবাক হয়েছি যে, কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবীয়, পাকিস্তানি বা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মতো সংখ্যালঘু প্রবাসী যাদের মধ্যে স্কুলে যাওয়ার হার তুলনামূলক কম তারাই শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের চেয়ে বেশি উচ্চশিক্ষায় গ্রহন করছে’।

প্রতিবেদনে বলা হয় স্কুলে কে কেমন করছে তা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা রাখে না। বরং ছেলে-মেয়েদের উচ্চশিক্ষার গ্রহনের পেছনে পরিবারগুলো কঠোর পরিশ্রম ও কষ্ট স্বীকার করাটাই মুখ্য বলেই ধারণা করা হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই