মেইন ম্যেনু

যুক্তরাষ্ট্রকে কাঁদিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ঘরের মাঠে বসেছে শতবর্ষী কোপা আমেরিকার আসর। অনেক আশা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল তারা। স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা নিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছিল ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের দল। এ পর্যায়ে এসে যেন বাঘের মুখেই পড়েছে তারা! বুধবার সকালে কোপার শেষ চারের খেলায় অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনার কাছে ৪-০ গোলের ব্যবধানে পরাস্ত হয়েছে স্বাগতিকরা।

অপরদিকে এজিকুয়েল লাভেজ্জি, লিওনেল মেসি ও গঞ্জালো হিগুয়েনের নৈপুণ্যে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে কাঁদিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালের খেলা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ২৩ বছরের শিরোপা খরা ঘোচানো থেকে এক ধাপ পিছিয়ে জেরার্ডো মার্টিনোর দল। বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার সকালে নিউজার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে অনুষ্ঠ্যেয় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে (ফাইনালে) আর্জেন্টাইনদের প্রতিপক্ষ হবে অপর সেমিতে কলম্বিয়া ও চিলির মধ্যকার জয়ী দল। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় কলম্বিয়া-চিলির মধ্যকার ম্যাচটি মাঠে গড়াবে।

টেক্সাসের রিলায়েস্ট স্টেডিয়ামের গ্যালারি ভর্তি স্বাগতিক দর্শকের হতাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা। ম্যাচের শুরু থেকেই খেই হারিয়ে ফেলেছেন তারা। যেকারণে খেলার তিন মিনিটের মাথায় গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। এ সময়ে বল নিয়ে ছুটে আসেন মেসি। স্বাগতিক ডিফেন্ডারদের জটলা দেখে সেটি শূন্যে ভাসিয়ে দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। বলটি দখলে নিয়ে দুর্দান্ত এক হেডে যুক্তরাষ্ট্রের জালে জড়ান এজিকুয়েল লাভেজ্জি (১-০)।

এদিকে রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেসি লক্ষ্যভেদ করলেন ম্যাচের ৩২তম মিনিটে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। সব বাধা উপেক্ষা করে দুর্দান্ত এক শটে স্বাগতিকদের জাল কাঁপান বার্সা ফরোয়ার্ড (২-০)। এটি ছিল আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তার ১১২ ম্যাচে ৫৫তম গোল। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসিই। তিনি পেছনে ফেলেছেন ৭৮ ম্যাচে ৫৪ গোল করা গ্যাব্রেইল বাতিস্তুতাকে।

সেমির দ্বিতীয়ার্ধে ছিল গঞ্জালো হিগুয়েন শো। আগের ম্যাচে দুই গোল করা আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষেও করেছেন জোড়া গোল। ৫০তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে পাওয়া একটি বলে শট নেন হিগুয়েন। প্রথমত বলটি ঠেকিয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক ব্র্যাডলি গুজান। তবে ফিরতি শটে গোল করতে ভুল করেননি নাপোলির এই স্ট্রাইকার (৩-০)।

যুক্তরাষ্ট্রের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ওই হিগুয়েনই। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে স্বাগতিক খেলোয়াড়দের ভুল পাস থেকে বল কেড়ে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যান মেসি। নিজে ঝুঁকি না নিয়ে বলটি ঠেলে দেন হিগুয়েনের দিকে। পায়ের আলতো ছোঁয়ায় সেটি যুক্তরাষ্ট্রের জালে জুড়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই স্ট্রাইকার (৪-০)।






মন্তব্য চালু নেই