মেইন ম্যেনু

যুবকের পেট কাটার পর যে ‘গুপ্তধন’ বেরলো, তাতে আঁতকে উঠলেন ডাক্তাররা

মানুষের পক্ষে অস‌ম্ভব বলে বোধ হয় কিছুই নেই। সেই কথাই যেন নতুন করে প্রমাণিত হল মাস কয়েক আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায়। পেট ব্যথার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক যুবকের পেটে অপারেশন করে পেটের ভিতর থেকে ডাক্তাররা যা পেলেন, তা দেখে কার্যত হতবাক হয়ে গেলেন তাঁরা।

শামিমুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। একেই তিনি মাদকাসক্ত। তার উপর কষ্ট পাচ্ছিলেন তীব্র পেটের ব্যথায়। পেটের বেদনা অসহ্য হয়ে ওঠায় ডাক্তারদের শরণাপন্ন হন। ডাক্তাররা ইউএস‌জি করে আন্দাজ করেন, পেটে অদ্ভুত ধরনের কিছু রয়েছে। তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন অপারেশনের।

কিন্তু অপারেশন টেবিলে শামিমুরকে শুইয়ে দিয়ে তাঁর পেট কাটতেই ডাক্তারদের চোখ ওঠে কপালে। কারণ তাঁরা দেখেন, রোগীর পেটের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক টুথব্রাশ। সেই সঙ্গে পেট থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু দাঁতের মাজন, প্লাস্টিক র‌্যাপারের টুকরো এবং ব্যাটারির খোল।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার শফিকুল রহমান জানান, ‘রোগীর পেট থেকে মোট ১৯টি টুথব্রাশ, ৪টি দাঁতের মাজন, ২টি প্লাস্টিক র‌্যাপারের টুকরো, আর ২টো ব্যাটারির ভাঙা খোল পাওয়া গিয়েছে।’ সে‌ই সঙ্গে ডাক্তার রহমানের বক্তব্য, ‘আমার ১৬ বছরের ডাক্তারি জীবনে এমন তাজ্জব ব্যাপার কখনও দেখিনি।’

কিন্তু এই সমস্ত বিচিত্র জিনিস শামিমুরের পেটে গেল কী করে? সেই সম্পর্কে কিছু বলতে পারছেন না শামিমুর নিজে, অথবা তাঁর বাড়ির লোকজন। ডাক্তারদের ধারণা, মাদকাসক্ত শামিমুর নেশাগ্রস্ত অবস্থাতেই ওই সমস্ত অখাদ্য গলাধঃকরণ করেছিলেন। তার পর নেশা কেটে যাওয়ার পরে ভুলে গিয়েছেন নিজের যাবতীয় কৃতকর্ম।






মন্তব্য চালু নেই