মেইন ম্যেনু

যুবতী মেয়েরা যেভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হয় (ভিডিও)

নারী পাচার নতুন নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে এ ব্যবসা। দেশের বড় একটি সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে।

এসব সিন্ডিকেট বিভিন্ন ধাপে ধাপে লোক সাজিয়ে কাজ করে। প্রথম ধাপে যারা কাজ করে তাদের দায়িত্ব থাকে উঠতি বয়সী মেয়েদের টার্গেট করা ও তাদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। দ্বিতীয় ধাপের কাজ থাকে ওইসব নারীদের সীমান্তে নিয়ে যাওয়া। আর তৃতীয় ধাপে যারা থাকেন তারা ওইসব মেয়েদের সীমান্ত পার করে ভারতের দালালের হাতে পৌঁছে দেয়।

শুধু প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমেই নয়, বন্ধুত্ব, দালালের খপ্পর ও দারিদ্রতার কারণে বাধ্য হয়ে বড় চাকরির আশায় অজানা অচেনা অথবা পরিচিত জনের হাত ধরে বিদেশে যায় মেয়েরা। আর সেই বিশ্বাস করা মানুষগুলোই যে বদলে যায়। তা কেবল ভারতে যাওয়ার পরই টের পায় অবলা মেয়েরা। তবে ওই সিন্ডকেটদের প্রতিটি ধাপেই সাহায্য করেন বাস কাউন্টারের লোক, বাসের হেলপার, পুলিশ, বিজিবি ও বিএসএফ।

বাংলার মেয়েরা পাচার হয়ে ভারতে প্রবেশ করলেই দাম ওঠে তাদের। বয়স ও শারীরিক গঠনের উপরেই দাম নির্ধারণ হয় তাদের। ভারতীয় রুপির ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ রুপি পর্যন্ত দাম ওঠে তাদের। এসব মেয়েদের কিনে নিয়ে ঠেলে দেয়া হয় অন্ধকার জগতে। চার দেয়ালের একটি ছোট ঘরই হয় তাদের ঠিকানা।

আর ওই ঘরের মধ্যেই দৈনিক ২০-৩০ পুরুষের হাতে ধর্ষণের শিকার হতে হয় তাদের। এসব মেয়েদের মধ্যে অনেকেই দেশে ফেরার চেষ্টা করেন। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সফলতা পান না তারা। আবার কখনও পান। আর অনেকে এই নিয়তিকে মেনে নিয়ে ওই অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করে থেকে যান ওখানে।






মন্তব্য চালু নেই