মেইন ম্যেনু

যেখানে ঘুমন্ত আকাশের বুক চিরে সগর্বে দাঁড়িয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা

দিনের শেষে সেই অফিস৷ সেই ডেস্ক৷ সেই চেনা-অচেনা মুখগুলি৷ আর কাহাতক ভাল লাগে এই একঘেয়ে জীবনের রোজনামচা? জীবনে একটু নতুনত্বের অক্সিজেন তো চাই! চাই বললেই হবে? বাক্স-প্যাঁটরা গুছিয়ে বেরিয়ে পড়তে হবে যে৷ চুলোয় যাক একেঘেয়ে জীবন, আপনার অপেক্ষাতেই রয়েছে পাহাড়-নদী-জঙ্গলে ঘেরা তিনচুলে৷

tinchuleyk2-768x506

কী দেখবেন –

আকাশের বুক চিরে সগর্বে দাঁড়িয়ে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা এখানকার থেকে ভাল বোধহয় আর কোথাও দেখা যায় না৷
পাহাড়ের গায়েই রয়েছে ছোট ছোট বেঞ্চ৷ যাতে বসে সূর্যাস্তের রাঙা আকাশে ছেয়ে যাবে ডুবন্ত সূর্যের লালিমা৷
সামনে বয়ে চলেছে সুন্দরী তিস্তা৷ যার পাশে রঙবেরঙের নুড়িগুলি বলবে ছোট্ট এই পাহাড়ি গ্রামের ইতিকথা৷
শীতের সকালে গ্রামের প্রত্যেক বাড়ির উঠোনে হাসিমুখে পর্যটকদের স্বাগত জানায় চেনা-অচেনা অর্কিডরা৷

bird-of-paradise-300x200

কীভাবে যাবেন –

হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন ধরে শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামতে হবে৷ সেখান থেকে গাড়ি বুক করেই যেতে হবে তিনচুলে-তে৷ শিলিগুড়ি থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম৷

gurung

কোথায় থাকবেন –

এখনও সেভাবে প্রচারের আলোয় আসেনি উত্তরবঙ্গের এই শান্ত-সুন্দর এই গ্রাম৷ তাই থাকার জায়গা খুব বেশি নেই৷ দুটি গেস্ট হাউস আছে বটে গুরুঙ্গ গেস্ট হাউস ও রাই গেস্ট হাউস৷ নভেম্বরের পিক সিজনে গেলে আগে থেকে বুক করে যাওয়াই শ্রেয়৷






মন্তব্য চালু নেই