মেইন ম্যেনু

যেখানে বিয়ের আগে বউকে অপহরণ করতে হয়!

যত আজব কারবার। বিয়ের আগে বউকে অপহরণ করতে হয় তা কি কখনো শুনেছেন? শুনে না থাকলে এবার শুনুন সেই আজব কারবার।

আমাদের দেশেও এমন কিছু ঘটনা ঘটে থাকে- যদি পছন্দের পাত্রী বিয়েতে রাজি না হয়। এমন ঘটনা ঘটিয়ে আবার কারো কারো জায়গা হয়েছে শ্রীঘরে।
আমাদের দেশে আইনের চোখে এমন ঘটনার নায়ক একজন অপরাধী।

কিন্তু ঐতিহ্য ধারণ করে বিয়ের আগে বউকে অপহরণ করতেই হবে এমন নজিরও রয়েছে। কিরগিজস্তানের এমন ঐতিহ্যকে ‘নিষ্ঠুর ঐতিহ্য’ বলে ধরা হচ্ছে। কারণ বিয়ের আগে বউ অপহরণ করা, এটি তাদের ঐতিহ্য।

শুধু যে অপহরণ করে বিয়ে করবে তা কিন্তু নয়, একজন অবিবাহিত যুবতীকে যার বিয়ে করার ইচ্ছা হয়, তাকে কিডন্যাপ বা অপহরণ করতে হয়। এরপর যে পর্যন্ত সে বিয়ের জন্য রাজি না হয়, তার ওপর চলে নিষ্ঠুর নির্যাতন!

সাম্প্রতিক সময়ে একটি স্থানীয় এনজিও’র ওপর গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে এমনসব তথ্য। জানা যায়, কিরগিজস্তানের পঞ্চাশ শতাংশ বিবাহ ঠিক এভাবেই হয়ে থাকে বলে জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পছন্দের মেয়েকে অপহরণ করে তাকে মানসিক চাপের মধ্যে রাখা হয়। অপহৃত মেয়ে যদি বিয়েতে রাজি না হয়, তখন ছেলের বাড়ির মহিলারা ওই মেয়ের মগজ ধোলাই শুরু করেন। এরপরও রাজি না হলে মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করা হয়।

এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঐতিহ্যের ব্যাপারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের কাহিনী শোনা যায়। কিন্তু কিরগিজস্তানে দরিদ্র অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে এ অবস্থার কোনো পরিবর্তন করা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় এনজিও সংস্থাগুলো মত প্রকাশ করেছে।

এনজিওগুলো বলছে, অপহরণ করাকে কোনো খারাপ কাজ মনে করে না সেখানকার স্থানীয়রা। মেয়েরা যদি বিয়েতে রাজি না হয়, তাহলে তাদেরই দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

জানা গেছে, এ ধরনের নৃশংস কাজ বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হলেও এখনো তা যথেষ্ট নয়। প্রতিদিন অন্তত ৩২ জন যুবতীকে বিয়ের জন্য অপহরণ করা হয়ে থাকে।

সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, এ ধরনের অপহরণের ঘটনায় ৭শ’ মামলার মধ্যে হতে মাত্র একজন দোষীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সম্ভব হয়। বেশির ভাগ অপহৃত মহিলা ভয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। আবার অনেকে আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়। তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট






মন্তব্য চালু নেই