মেইন ম্যেনু

যেভাবে করবেন সহকর্মীর সমালোচনা

আমাদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর বড় একটা সময় কেটে যায় কর্মক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্রের মানুষগুলোর সাথে। তাই নিজের বাড়ির মানুষগুলোর মতন সহকর্মীদের সাথেও গড়ে তুলতে হয় একটা হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। মাঝে মাঝে গড়ে তোলার দরকার পড়েনা। আপনা থেকেই সম্পর্কগুলো গড়ে ওঠে। তবে তাই বলে তো এমন না যে সবসময়েই সবার সব কর্মকান্ড ভালো লাগতে হবে। কিন্তু চাইলেই কি আর সহকর্মীকে তার কাজ কিংবা ব্যবহার নিয়ে দু কথা শুনিয়ে দেওয়া যায়? না! যায় না। আর এ কারণেই জেনে নিন কর্মস্থলে সহকর্মীর সমালোচনা করার কিছু ঝামেলাবিহীন উপায়!

১. ব্যক্তিকে নয়, সমস্যাটিকে সামনে তুলে ধরুন

হতেই পারে যে কর্মস্থলে কারো কোন আচরণের জন্যে বেশ ক্ষুব্ধ আপনি। কিন্তু তাই বলে সরাসরি তাকে নিন্দা প্রকাশ করলে বা তার সমালোচনা করলে ব্যাপারটা ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর দোষ না চাপিয়ে সমস্যাটি যে কতটা বাজে আর সেটাকে অতি শীঘ্রই যে দূর করা দরকার সেটা বলুন। এতে করে যার যার ভেতরে সেই সমস্যাটি রয়েছে তারা নিজ থেকে আপনার কথাগুলো বুঝে নেবে আর নিজেদের সমস্যা উদ্রেককারী কাজ থেকে দূরে সরে আসবে।

২. সমালোচনাটির ফলাফলকে ভাবুন

আপনি কেন আপনার সহকর্মীর কাজে অসন্তুষ্ট হচ্ছেন বা বিরক্তিবোধ করছেন? কেন তার সমালোচনা করতে চাইছেন? কারণ, আপনার নিশ্চয়ই মনে হয়েছে যে এই সমালোচনাগুলো করলে আপনার সহকর্মী নিজেকে শুধরে নেবে আর সেই কাজটি করবে না যেটা কিনা আপনাদের সবার কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। তাহলে সমালোচনাকে কেন, চেষ্টা করুন আপনার ও অন্য সবার সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য আর সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে যে ব্যাপারগুলো খেয়াল রাখতে হবে সেসব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করে তুলতে।

৩. ফিডব্যাক স্যান্ডউইচ

ফিডব্যাক স্যান্ডউইচ হচ্ছে তিনটি স্তরে কাউকে সমালোচনার ভেতর দিয়ে নিয়ে যাওয়া। তাই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রথমে সহকর্মীকে তার ভালো ও খারাপ দিকগুলো বলুন। এরপর তার ভালো দিকগুলো আবার বলুন এবং শেষটায় গিয়ে কোন কোন দিকে লক্ষ্য রাখলে ব্যাপারটা আরো ভালো হতে পারে সবার এবং সেই সহকর্মীর নিজের জন্য সেটা বলুন। মূল কথা হচ্ছে এই যে, ইতিবাচক কথাগুলোকেই বেশি প্রাধান্য দিন সমালোচনার ভেতরে। যাতে করে আপনার সহকর্মীর এমনটা মনে হয় যে, আপনি তার ভালোর জন্যেই সবটা বলছেন।






মন্তব্য চালু নেই