মেইন ম্যেনু

যেভাবে পুরনো শাড়ি নতুন রুপে ব্যবহার

প্রতিটি শাড়ির সাথেই জড়িয়ে থাকে কোনো না কোনো স্মৃতি। তাই অনেক সময় শাড়ি পুরনো হয়ে গেলেও তা ফেলে দিতে বা ফেরিওয়ালা ডেকে বেঁচে দিতে মন ঠিক সায় দেয় না। আবার এগুলো ঘরে ফেলে রাখলেও বাড়তে থাকে অব্যবহৃত জিনিসের স্তুপ। তাই আপনার স্মৃতিময় শাড়িগুলোকে উদ্ভাবনী উপায়ে কাজে লাগিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন নতুন কিছু। এতে একদিকে যেমন আপনার স্মৃতিময় শাড়িটিকেও ফেলে দিতে হল না অন্যদিকে তেমনি আপনি আপনার মেধা যাচাই করে বানিয়ে ফেলতে পারেন চমকপ্রদ কিছু।

ভাবছেন, কি কাজে কিভাবে ব্যবহার করবেন আপনার সখের পুরাতন শাড়ি? চিন্তা কি, আসুন এখুনি জেনে নিন:

কুশন কভার:
জরির পাড়ের সঙ্গে সুতির শাড়ি কুশন কভার তৈরীর জন্য আদর্শ। সিল্ক এবং সিল্ক-কটন সাথে কিছু গোল্ডেন লেস মিলিয়ে তৈরি করতে পারেন উজ্জ্বল এবং গ্র্যান্ড কুশনের একটি সেট। এখানে আপনি একাধিক শাড়ি বা লেস ব্যাবাহার করে আনতে পারেন নানা বৈচিত্র। এতে আপনার সখের শাড়িটিও রয়ে গেলো আবার আপনার সোফাসেটটিও পেলো একটি ভিন্ন মাত্রা।

পর্দা:
সখের শাড়ি দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন বাহারি পর্দা। তাঁত, কটন বা সিল্ক, ছাপা বা একরঙা যেমনই হোক না কেন সেটা দিয়েই পর্দা তৈরি করা যাবে। পছন্দ মতো পাড়গুলো লম্বালম্বি, আড়াআড়ি বা তেরছা করে বসিয়ে দিতে পারেন। শাড়ি যদি খুব পাতলা হয় তাহলে সাধারণ মার্কিন কাপড় কিনে পর্দার পেছনে একটা আস্তর দিয়ে নিন। একাদিক শাড়ি ব্যাবহার করে দিতে পারেন নতুন মাত্রা।

ওয়ালমেট:
পুরানো শাড়ি দিয়ে দেয়ালসজ্জার জন্য ওয়ালমেটও তৈরি করতে পারেন । শাড়ির নকশাদার অংশ আঠা দিয়ে বসিয়ে দিন পিচবোর্ড বা কাঠের পাতলা বোর্ডে এবং বাঁধিয়ে দেয়ালে টাঙান। এই ওয়ালমেটটি ঘরে প্রাধান্য সৃষ্টি করবে এবং সহজেই নজর কাড়বে সবার। ওয়ালমেট তৈরির জন্য জামদানী, বেনারসী, সিল্ক ইত্যাদি যেকোনো শাড়ির টুকরো ব্যবহার করতে পারেন।

নকশি কাঁথা:
পুরোনো শাড়ির এটা একটা ঐতিহাসিক ব্যাবহার। পুরানো শাড়ি বা কাপড়কে সেলাই করে বানানো হত কাঁথা। আর এ কাঁথা কালের আবর্তে পরিণত হতে লাগল ‘নকশি কাঁথায়’। মানুষের শিল্প প্রকাশের এটি একটি অন্যতম ক্ষেত্র। এতে আপনার শখের শাড়িটি নিজেই শিল্প হয়ে প্রতি রাতে ছুঁয়ে দেবে আপনাকে। -সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া।






মন্তব্য চালু নেই