মেইন ম্যেনু

যেভাবে রাঁধলে খাবার বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে

সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশুদ্ধ ও মানসম্পন্ন খাবারের জন্য সবাই মুখিয়ে থাকে। কিন্তু সঠিকভাবে খাবার রান্না করতে না পারলে পুষ্টি সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু খাবারও বিষাক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য সঠিক পদ্ধতিতে খাবার রান্না করার নিয়ম জেনে নিতে হবে।

বিশ্বায়নের এই যুগে আমাদের মেনু চার্টে প্রত্যাহিক খাবারের সঙ্গে যোগ হয়েছে তন্দুরি, স্টিমড, গ্রিলডসহ রকমারি খাবার। এই খাবারগুলো সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করতে না পারার কারণে বিষাক্ত হয়ে যায়।

এক গবেষণায় জানা গেছে, রান্নার সঠিক উপায়ে রান্না না জানার কারণে খাবারের প্রোটিন, ফ্যাটের গঠন পরিবর্তন হয়ে বড় ধরনের বিপদ হতে পারে। রান্নার কোনো কোনো পদ্ধতি খাদ্যে থাকা প্রোটিনের গঠন ভেঙে দেয়। ফলে খাবারে থাকা ফ্যাট রীতিমতো বিষাক্ত হয়ে যায়। তাপে ফ্যাট থেকে তৈরি
হয় ডাইকার্বোলাইল। যা থেকে ক্যানসারও হতে পারে।

খাবার বেশি ফোটানোর বিপদ :
ঝোল যুক্ত তরকারি বা ডাল বেশি ফুটিয়ে সেদ্ধ করে রান্না করা হয়। গবেষণায় জানা গেছে, অল্প আঁচে রান্না করলে ফ্যাট অক্সিডাইজড হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। বেশি সময় রান্না ধরে ফোটালে খাবারের প্রোটিন নষ্ট হয়ে যায়। তাই অল্প আঁচে রাঁধুন। তবে বেশি সময় ধরে খাবার ফোটাবেন না।

তন্দুরি চিকেনে সাবধানতা :
কড়াভাবে পোড়ানো বা সেঁকা তন্দুরি চিকেনের খাদ্য গুণ অটুট থাকে না। কড়া করে পোড়ানো তন্দুরিতে পোঅক্সিডাইজড ফ্যাট তৈরি হয়। যা শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমায়। ভেঙে যায় খাবারে থাকা ফ্যাটও। যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। হজম ক্ষমতাও নষ্ট হয়। ব্রেনের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এখানেই শেষ নয়, এ ভাবে রান্না করা খাবার থেকে ক্যানসারও হতে পারে। তাই গ্রিল বা তন্দুর করার সময় খবই সচেতন হোন। বেশি গ্রিল করা খাবার আজই বাদ দিন মেনু চার্ট থেকে। সরাসরি আগুনে পোড়ানো মাংস কখনোই খাবেন না।

ভাজা খাবারের বিপদ :
আমাদের সবারই ভাজা খাবারের প্রতি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। তাই সব ধরনের খাবারই আমারা ভেজে খেতে পছন্দ করি। গরম তেলের কড়াইতে মাছসহ সব ধরনের খাবার ভাজলে প্রোটিন ভেঙে যায়। ফ্যাট অক্সিডাইজড হয়ে যায়। খাবারে থাকা কার্বোহাইড্রেডও গ্লাইকেটেড হয়ে যায়। আর এসবই বাড়িয়ে দেয় ক্যানসারের ভয়।

তাই রান্না করার আগে একটু সচেতন হতে হবে। কুকারে অথবা কড়াইতে রাঁধুন না কেনো, বেশি সময় খাবার তাপের ওপর রাখবেন না। একটু চেষ্টা করলেই রান্নার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা যায়। মনে রাখতে হবে সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাবারের বিকল্প নেই।






মন্তব্য চালু নেই