মেইন ম্যেনু

যেসব ফ্যাট-ফ্রি স্বাস্থ্যকর

স্লিম থাকার জন্য স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ এখন ঝুঁকছেন ফ্যাট-ফ্রি খাবারের দিকে। সারাদিনে অল্প অল্প করে খাওয়া আর মাঝে মাঝে টুকিটাকি মুখে দিয়ে পেট ভরানো। তবে একেবারে ফ্যাট-ফ্রি ডায়েট হলে আখেরে নাকি বিপদ বাড়ে বই কমে না। ব্রিটিশ সংস্থা ন্যাশনাল ওবেসিটি ফোরামের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় এমনটাই জানিয়েছেন পাবলিক হেলথ কোলাবরেশনের গবেষকরা। তাদের মতে, একেবারে ফ্যাট-ফ্রি খাবার না খেয়ে ডায়েটে রাখুন ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাটযুক্ত খাবার। লো-ফ্যাটযুক্ত এসব খাবারে নাকি লাভ বেশি।

তবে সব ফ্যাটযুক্ত খাবারই কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। ফ্যাটবিহীন মার্জারিন না খেয়ে অল্প পরিমাণে মাখন খেলে শরীরে স্নেহ জাতীয় পদার্থের ঘাটতি মিটবে। প্রতিদিন এক চামচ করে ঘি খেলে তা আপনার উপকারই করে। হজমশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও ঘিতে বিউটিরিক এসিডের মতো ফ্যাটি এসিড থাকায় তা কোলনকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। দুধের মতো লো-ফ্যাট নয়, ফুল-ফ্যাট দই খান।

লো-ফ্যাট দইয়ে প্রচুর পরিমাণ চিনি থাকে। সপ্তাহে কয়েকবার খুব সামান্য পরিমাণে রেড মিট অর্থাৎ গরু বা খাসির গোশত খেতে পারেন। গবেষকদের মতে, সপ্তাহে চারটি ডিম খেলে তা ক্ষতিকর নয়। স্কিমড বা ডাবল টোনড মিল্কের পরিবর্তে দিনে একবার ফুল-ফ্যাট মিল্ক খান। এতে অনেকক্ষণ ধরে পেট ভরা থাকবে। এ ধরনের দুধে যে ফ্যাটি এসিড থাকে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে।






মন্তব্য চালু নেই