মেইন ম্যেনু

যেসব সাধারণ খাবারে লুকিয়ে আছে ফ্যাট

বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা এক টুকরো পিজ্জাতে যে ফ্যাট রয়েছে সেটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু আমরা প্রতিদিন এমন কিছু খাবার খায় যেগুলোতে ফ্যাট থাকতে পারে সেকথা আমাদের ধারণাতেও নেই বিন্দুমাত্র। এই যেমন মাছ বা সবজি।

কেননা আমরা ধরেই নিই যে এসব খাবার হচ্ছে পুরোপুরি ফ্যাটবিহীন খাবার। সেসবই অজান্তে ক্ষতি করে চলে আমাদের। সেজন্য কোন কোন খাবারে লুকিয়ে আছে অদৃশ্য ফ্যাট সেটা আমাদের জানা খুবই জরুরী।

অবশ্য একটা বিষয় আমাদের মাথায় রাখা দরকার যে সব ধরনের ফ্যাট কিন্তু খারাপ নয়। কিছু কিছু ফ্যাট শরীরের জন্য উপকারীও। তাই শরীর ঠিক রাখতে নজর রাখতে হবে কোন ধরনের ফ্যাট গ্রহণ করছেন এবং কতটা পরিমাণে গ্রহণ করছেন তার উপর।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার ২০-৩০ শতাংশ ফ্যাট গ্রহণ শরীরের জন্য উপকারী। যদি দৈনিক আপনি ২০০০ ক্যালোরি গ্রহণ করেন তাহলে ৬৫ গ্রাম ফ্যাট গ্রহণ করতেই পারেন। অবশ্য এই পরিমাণ ফ্যাট দৈনিক গ্রহণ করা খুবই সহজ বিষয়, বিশেষ করে অদৃশ্য ফ্যাটও সেসব চাহিদা পূরণ করে থাকে অনেকাংশেই।

সাধারণত খাবার থেকে দুই ধরনের ফ্যাট পাওয়া যায়। যার একটি হলো ট্রান্স ফ্যাট আর অন্যটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট। ট্রান্স ফ্যাট শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে হার্টের সমস্যাও হতে পারে। আর স্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের জন্য উপকারী। ঘি জাতীয় খাবারে মেলে এই ফ্যাট, তবে সেটা পরিমিত পরিমাণে খাওয়াটাও দরকারি।

বেশিরভাগ খাবার থেকেই আমরা আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ করি। সেটাই ডেকে আনে যতসব বিপত্তি। একটি হ্যামবার্গারে মেলে ৩৬ শতাংশ ফ্যাট। আবার ফিশ স্যান্ডউইচে থাকে ২৮ গ্রাম। এক কাপ দুধে থাকে ৭ গ্রাম ফ্যাট। পিনাট বাটারে থাকে ১৪ গ্রাম ফ্যাট।

এবার জেনে নিন কোন খাবারগুলোতে রয়েছে অদৃশ্য ফ্যাট:

মুভি থিয়েটারে দেওয়া দামী পপকর্নগুলো তৈরি করা হয় বাটার, চিজ ও সুগারের সমন্বয়ে। সেটাতে তাই লুকিয়ে থাকে অদৃশ্য ফ্যাট।

সসেজ, বাটার, তেল ও লবণ রয়েছে এমন সব খাবারের সেটও ফ্যাটের সবচেয়ে ভালো উৎস।

চিকেন বা অন্য কোনো পোল্ট্রির জিনিস চামড়াসহ খেলে সেখানে থাকে অদৃশ্য ফ্যাট।

সালাদ ড্রেসিংয়েও থাকে ফ্যাট। তাই যত পুষ্টিকর সালাদই খাননা কেন সালাদ ড্রেসিংয়ের ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত বৈকি। তবে মনে রাখতে হবে প্যাকেজ মিলগুলোতে বেশি ফ্যাট থাকে। ট্রান্স ফ্যাট থাকে এমন সব খাবার এড়িয়ে চলাই শরীরে জন্য ভালো।

প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন চাহিদার বেশি ফ্যাট গ্রহণ করলে তা একসময় শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে। তাই শরীর ও হৃদপিন্ডের যত্ন নিন। শরীরটা একসময় আপনাকে ধন্যবাদ বলবেই।






মন্তব্য চালু নেই