মেইন ম্যেনু

যে কাজগুলোতে নারীদের কাছে হেরে যায় পুরুষরা

পুরুষ অপেক্ষায় নারী দূর্বল! এমন একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে আমাদের মাঝে। তবে এটা কি আদৌতে সত্যি? নাকি নারীদের দুর্বল করে রাখার একটা উপায় বা কৌশলমাত্র?

এমন প্রশ্ন যদি আসে, তবে এটাই সত্যি যে, নারীদের পিছিয়ে রাখার কৌশল হিসেবেই এই মিথটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাস্তবতা হচ্ছে, একজন পুরুষের তুলনায় একজন নারী যথেষ্ট পরিমাণ শক্তিশালি।

বিশেষ করে বেশ কিছুদিক আছে, যেখানে নারীর সাথে পুরুষরা কখনোই পেরে উঠেন না। তাহলে কি সেই বিষয়গুলো? আসুন তবে জেনে নিই, কোন কোন বিষয়ে পুরুষকে হারিয়ে দেয় নারীরা?

নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশিদিন বাঁচেন। এর সবচেয়ে বড় কারণ, হৃদরোগ প্রতিরোধে তাদের অসামান্য ক্ষমতা। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত যে, পুরুষের তুলনায় নারীর সহ্যশক্তি অনেক বেশি। প্রসববেদনা সহ্য করা যার অন্যতম প্রমাণ।

যে কোনো জটিল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা পুরুষের তুলনায় নারীর অনেক বেশি। নারীদের মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন বেশি উৎপন্ন হয়। যা শান্ত রাখতে সাহায্য করে। ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, নারীর স্মৃতিশক্তি পুরুষের চেয়ে অনেকগুণ বেশি। বয়স বাড়লে পুরুষের স্মৃতিশক্তি কমে, নারীর ততটা নয়।

ইন্টেলিজেন্স এক্সপার্টদের মতে, বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষায় নারীরা পুরুষদের হারিয়ে দিতে পারে। নারীর মস্তিষ্কের বিকাশ দ্রুত হয়। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে মাঝ পথে পড়ালেখা ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষের তালিকাই দীর্ঘ হয়। অনেকে বলেন, মেয়েরা বিজ্ঞান বেশি ভাল বোঝে।

নারীরা সংকেত, চিহ্ন ইত্যাদির মানে সহজে বুঝতে পারে। মেয়ারা সহজে পথ হারায় না। হারানো জিনিস খুঁজে পেতেও তাদের বেশি সময় লাগে না। হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীরা অনেক এগিয়ে। এমনিতে মেয়েদের খরুচে মনে হলেও আসলে আয় বুঝে খরচ করার ব্যাপারে পুরুষের চেয়ে মেয়েরাই বেশি পারদর্শী।

দর-দস্তুর করে জিনিস কেনার ক্ষেত্রে মেয়েরা যে পারদর্শী তা সবাই জানে। অনেক ধৈর্য নিয়ে মেয়েরা কেনাকাটা করেন। সন্তান পালনের ক্ষেত্রে অনেক অনেক এগিয়ে মেয়েরা। ছেলেরা এক্ষেত্রে গোলের পর গোল খেতে পারে মেয়েদের কাছে।






মন্তব্য চালু নেই