মেইন ম্যেনু

যে কারণে নিজের ধর্ষককে বাঁচালো ধর্ষিতা!

সুসান কোপস্টিক নামের ৫৮ বছর বয়সী একজন নারী ৬২ বছর বয়সী পিটার ড্রামন্ড নামের একজন ব্যক্তির সাথে ২০০৪ সালে একটি কাজের মাধ্যমে পরিচিত হন। তখন থেকে তাদের মাঝে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু ২০১৪ সালে তাদের সম্পর্কের মাঝে সমস্যার সৃষ্টি হয়, যখন পিটার তার জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র খুঁজছিল। তখন থেকেই পিটার সুসানকে ফোন দিয়ে এবং কর্মক্ষেত্রের আশেপাশে চলাচল করে তাকে উত্যক্ত করে।

যাই হোক, গত নভেম্বর পিটার তার মায়ের বাসায় থাকার জন্য যায় এবং সুসানকে বলেন তার কিছু কাউন্সিল ফর্ম পূরণ করার জন্য তাকে প্রয়োজন। তাই সুসান তার জন্য দুঃখিত অনুভব করেন এবং তাকে ঘরে আসতে দেয়। পিটার বাড়িতে প্রবেশ করার পর সুসানের দুঃস্বপ্ন শুরু হয়।

সুসান তার জন্য চা তৈরি করতে যাবার পর পিটার পেছন থেকে যেয়ে তার গলায় ছুরি ধরে এবং দরজা বন্ধ করার জন্য বলে। সে পালিয়ে যাবার জন্য চেষ্টা করেন কিন্তু পিটার তার গলায় ছুরি ধরে রাখে বলে সে পারেন না এবং এভাবেই তাকে বেডরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে জোড় করে ধর্ষণ করা হয়। তারপর পিটার খাবার ঘরে যেয়ে খেতে বসেন।

খাবার খাওয়ার পর পিটার ঘুমের বড়ি খাওয়া শুরু করে। তখন তিনি সুসানকে বলেন, সে যদি তাকে ছেড়ে যায় তাহলে সে তাকে ও নিজেকে হত্যা করবে। কথা বলতে বলতে সে চেয়ারে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

সুসান তখন সাহসী পদক্ষেপ নেয়, তিনি পালিয়ে যাবার চেষ্টা না করে এ্যাম্বুলেন্সকে ফোন করেন। তিনি চিন্তা করেন, তার কৃতকর্মের জন্য তাকে শাস্তি প্রদান না করে তাকে তিনি মরতে দিবেন না। সুসান পুলিশকে তার জবানবন্দী দেন এবং ঘটনার এক সপ্তাহ পর পিটারকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অবশেষে পিটারের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।–সূত্র: মেট্রো।






মন্তব্য চালু নেই