মেইন ম্যেনু

যে ছবি আঁকা যায় না, কোনোদিন কেউ আঁকতে পারেনি!

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র দেহাবয়ব যেমন ছিল- চওড়া কাঁধ, প্রসস্ত বক্ষ, সবল মেরুদন্ড ও সুদৃঢ় পেশী। স্বাস্থবান, শক্তিশালী, সুঠাম ও সুন্দর দেহ। মাঝারী উচ্চতা, ঈষৎ কোকড়ানো ঘনো কালো চুল কখনো গুচ্ছাকারে কাঁধ ছুঁয়ে থাকত। পরিণত বয়সেও মাত্র গোটা বিশেক পাকা চুল দেখা গেছে। মুখমন্ডল ছিল ডিম্বাকার। প্রশস্ত উঁচু কপালের নিচে সুন্দর ও বাঁকানো দুটো ভ্রু।

গভীর কালো চোখ দুটো টানা দীপ্তিময়। সামান্য উঁচু আকর্ষণীয় দ্যুতিময় নাক। সুগঠিত ঝকঝকে সাদা দাঁত। মুখে চমৎকার পৌরুষদীপ্ত শ্মশ্মু। গায়ের ত্বক ছিল স্বচ্ছ ও নরম, রং উজ্জল রক্তিমাভ গোলাপী। ঘাম দেখা দিলে তা মুক্তার মত ঝলমল করতো। আর তার সুগন্ধিতে মেশকের ঘ্রাণও তুচ্ছ মনে হতো। হাত দুটি ছিল রেশমের মত নরম ও মোলায়েম। মসৃণ ভরাট পদযুগল। মুখ ঘোরালে গোটা শরীরটাই ঘোরাতেন।

অনেক উপমা দিয়ে কেবল যাঁর মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরো শরীরের বর্ণনা দেয়া যাবে কিন্তু কখনো তার ছবি আঁকা যাবে না। রাসূল (সা.)এর যুগে এতো এতো পণ্ডিতেরা পর্যন্ত তাঁর একটি ছবি আঁকতে পারেনি। এমনকি শয়তান পর্যন্ত রাসূল (সা.)এর সুরত নকল করতে পরেনি। মহান আল্লাহ তা’য়ালা এমন রূপের মাধুরি মিশিয়ে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে শ্রেষ্ঠ আকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।

তাঁকে দেখলে মনে হতো – চিন্তাশীল, ধ্যানমগ্ন ও গম্ভীর। কিন্তু সেই সাথে সদা সচেতন। তিনি হাসতেন, তবে তা কখনো মুচকি হাসির সীমা ছাড়িয়ে যেত না।

হযরত জাবের রাযিআল্লাহু তা‘আলা আনহু বলেন, “এক পূর্ণিমার রাতে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামককে দেখছিলাম। তিনি তখন লাল ডোরাকাটা পোষাক পরেছিলেন। আমি একবার চঁদের দিকে আরেকবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে তাকাতে লাগলাম। অবশেষে আমি দৃঢ় সিদ্ধান্তে উপনিত হলাম যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চাঁদের চেয়ে বহুগুণ বেশী সুন্দর।”… (শামায়েলে তিরমীযী)-প্রিয়.কম

মুফতি রাশিদুল হক
সিনিয়র মুহাদ্দিস ও শিক্ষাসচিব, নরাইবাগ ইসলামিয়া মাদরাসা, ডেমরা, ঢাকা।



(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই