মেইন ম্যেনু

যে নাটকে নগ্ন হয়ে অভিনয় করেছেন নারীরা

শেক্সপিয়রের নাটক তো গত কয়েক শতক ধরে কতভাবে অভিনীত হয়ে আসছে। প্রতি পরিচালকই তাতে কিছু না কিছু অভিনবত্ব আনেন। বরাবরই নানা নতুন ভাবনায় সমসায়িক হয়ে ওঠে শেক্সপিয়রের নাটক। নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে সেই অভিনবত্বের পথেই নয়া মাত্রা যোগ হল। সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে ১১ জন নারী অভিনয় করলেন শেক্সপিয়রের ‘দ্য টেমপেস্ট’।

শরীরি স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে সারা দুনিয়াতেই নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। নগ্নতা যে অশ্লীলতা নয় তা যেমন এই ধরনের কাজের মুখ্য বিষয়, তেমনই শরীর সম্পর্কে সবরকমের সংস্কার থেকে বেরনোর ডাকও থাকে এই কাজে। সেরকমই এক প্রয়াস এই নাটকের অভিনয়। তবে অভিনবত্ব হল এই বিষয়ের সঙ্গে শেক্সপিয়রের যোগসূত্র স্থাপন। কিংবদন্তি নাটককে যে এই প্রেক্ষিতে ব্যবহার করা যায় তা অনেকেরই ধারণার বাইরে।

চার দেওয়ালের মধ্যে নয়, খোলা পরিবেশেই অভিনয় হয়েছে এ নাটকের। কাহিনীর সকল চরিত্রেই অভিনয় করেছেন নারীরা। মোট ১১ জন অভিনেত্রী নগ্ন হয়ে নাটকের কুশীলব হয়েছেন। ব্যস্ততা সরিয়ে মানুষ চোখ রেখেছেন এই অভিনব কাজে। সবুজ ঘাসের গালিচায় শেক্সপিয়রের নাটক দেখতে ভিড় জমেছিল ভালই। তবে পুরুষ ও মহিলারা পাসাপাশি বসে এ নাটক দেখতে গিয়ে কেউ কেউ অবশ্য অস্বস্তিতেও পড়েছেন। আসলে এই ‘কালচারাল শক’ দেওয়াই প্রোডাকশনের উদ্দেশ্য।

কেন শেক্সপিয়রের নাটক অভিনয়ে নগ্নতা বেছে নেওয়া হল? পরিচালক অ্যালিস মোতোলা ও পিত্র স্ট্রেটের জবাব, শরীর ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠাই এই কাজের একমাত্র উদ্দেশ্য। নগ্ন হয়ে এমন প্রকাশ্যে অভিনয় করতে অভিনেত্রীদের অসুবিধা হয়নি। পরিচালক জুড়ি কিন্তু তাঁদের টিমের পারফর্ম্যান্সে দারুণ খুশি। খোলা জায়গায় অভিনয়ের ক্ষেত্রে অনেকরকম অসুবিধা কাজ করে। কিন্তু সে সব নিয়েও অভিনেতারা যে কাহিনী ও পরিচালকের উদ্দেশ্যকে সফল করতে পেরেছেন, সে কারণে তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরিচালক। সুত্র-অনলাইন






মন্তব্য চালু নেই