মেইন ম্যেনু

যে পাঁচটি সত্য গোপন করে পাকিস্তান!

সত্যি কখনও লুকনো যায় না। বারবার মিথ্যা প্রবচন আর কিছু সাজানো কিছু গল্প বারবার সামনে আনার চেষ্টা করলেও পাকিস্তানের সত্যিগুলো কোনোদিনই লুকিয়ে থাকবে না। দেশের যা কিছু নেগেটিভ তা চাপা দিয়ে রাখলেই সব সমস্যাগুলো কখনও সমাধান হয়ে যায় না বরং আরও বেশি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। পুরো বিশ্বকে সাজানো গল্প বললেও বারবার সামনে এসে যায় পাকিস্তানের চরম সত্যিগুলো।

১. মালালা ইউসুফজাই : এই নামটার আর আলাদা করে পরিচয় দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। সাহস করে শিক্ষার প্রচার করতে যাওয়ায় মেরে ফেলার চেষ্টা হয় এই পাক-কন্যাকে। পাকিস্তানের দাবি, দিনে দিনে পশ্চিমের চর হয়ে উঠছে মালালা। পাকিস্তানের শত্রুদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়েছে মালালা। মালালার দেশের দাবি, সে জন্যই নাকি নোবেল পাওয়া মালালার। ভারত-আমেরিকা-ইসরায়েলই মদদ দিচ্ছে মালালাকে। এমনকি অ্যান্টি-মালালা ডে পালন করতেও দেখা গিয়েছে। কিন্তু, সত্যিটা হলো মালালা কখনই পাকিস্তানকে সন্ত্রাস অধিকৃত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেন না। তিনি বারবার বলেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীরা আধিপত্য বিস্তার করছে কিন্তু সাধারণ মানুষ এর বিরুদ্ধে। এমনকী পাকিস্তানের মেয়েরা যাতে পড়াশোনা করতে পারে তার জন্য ফান্ডিং-এর ব্যবস্থাও করেন মালালা। সাক্ষাৎকারে বারবার বলে থাকেন, পাকিস্তানের জন্য তাঁর ভালোবাসা কোনোদিনই কমবে না। তিনি দেশদ্রোহী নন। দেশের ভালোই চান।

২. ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ : এই যুদ্ধ নিয়ে পাকিস্তান সব সময়ই দাবি করে থাকে যে এই যুদ্ধে তারাই জয়ী হয়েছিল। এমনকী ভারতের বিরুদ্ধে লড়া চারটি যুদ্ধই তারা জিতেছিল বলেও দাবি করে পাকিস্তান। ভারতীয় সেনার একটি সূত্র অনুযায়ী, এই প্রশ্ন উঠতেই পারে যে যুদ্ধে যদি পাকিস্তান জিতেই থাকে তাহলে কাশ্মীর কেন পাকিস্তানের কাছে গেল না। সাজানো গল্পের ওপর ভিত্তি করে কখনই দেশের ভবিষ্যৎ তৈরি হতে পারে না বলেও বিশেষজ্ঞ মহলের মত। ইতিহাস যদি ভুল বলা হয়, তাহলে সে দেশের পোক্ত ভবিষ্যৎ থাকে না বললেও চলে। ভারতীয় সেনার দাবি এই যুদ্ধে পাকিস্তান যে শুধু হেরেই গিয়েছিল তা নয়, পাকিস্তানের অনেক ক্ষতিও হয়েছিল।

৩. আইএসআই ISI : পাকিস্তানের এই এজেন্সির নাম এখন কারও অজানা নয়। পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে আইএসআই কে নিয়ে ততটাই গর্ব বোধ রয়েছে যতটা ISRO নিয়ে ভারত গর্ব অনুভব করে। তবে ISIS এর মদদেই যে সন্ত্রাসের স্বর্গ হয়ে উঠেছে পাকিস্তান সেই তথ্য ও প্রমাণ বারবার ভারতের হাতে এসেছে। আফগানিস্তানে সন্ত্রাসের জন্ম দেওয়ার পিছনেও ISI ছিল বলেই জানা যায়। দাউদ ইব্রাহিমকে যে তারাই আশ্রয় দিয়েছে তার একগুচ্ছ প্রমাণ রয়েছে ভারতের কাছে। এমনকী লাদেনকে লুকিয়ে রাখার পিছনেও ISI এর হাত ছিল বলে অভিযোগ তুলেছিল আমেরিকা। এমনকী বর্তমানে জাল নোটের কারবারেও নাম জড়িয়েছে এই সংস্থার।

৪. চীনা দ্রব্য নিয়ে গর্ব : ভারত যতই নিজেদের প্রডাক্ট বানাতে চাইছে পাকিস্তান তত বেশি করে চীনা অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা যায়। ভারতের মঙ্গল অভিযানের পর বারবার ভারতের দারিদ্র্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পাকিস্তান। কিন্তু, এই তথ্য বোধহয় পাকিস্তানের কাছে নেই যে ISRO বর্তমানে বিদেশের উপগ্রহ আকাশে পাঠিয়ে অনেক টাকা রোজগার করছে। ISI ড্রাগ পাচার করে সেই পরিমাণ টাকা তুলতে পারছে না বলেও দাবি করা হয়। বারবার নিজেদের অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করছে পাকিস্তান। যদিও বিশ্বের শক্তির তুলনায় সেটা কিছুই নয়।

৫. আর্থিক দুর্বলতা : ভারতীয় সেনার দাবি, পাকিস্তানের মানুষকে বোঝানো হয় যে ভারতের সঙ্গে সব অংশেই সমান পাকিস্তান। কিন্তু, বাস্তবে পুরো দেশটার GDP ভারতের শুধুমাত্র মুম্বইয়ের থেকে কিছুটা বেশি। যদি পাকিস্তান পরমাণু শক্তিতে ভারতের সমান হতে চায় কিংবা ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে চায় তাহলে গোটা দেশের অর্থনীতিটাই শেষ হয়ে যাবে। পাকিস্তান সেনা যতই শক্তিশালী হোক বিশ্বের প্রথম দশে কখনই আসে না তাদের নাম।






মন্তব্য চালু নেই