মেইন ম্যেনু

যে মেকআপ ট্রিকসগুলো শেখা দরকার ৩০ বছর বয়সেই

ফ্যাশন সচেতন নারী হয়ে থাকলে ইতোমধ্যেই মেকআপের বেশ কিছু ট্রিকস চলে এসেছে আপনার আয়ত্তে। নিজেকে সাজিয়ে তুলতে কী করা যাবে আর কী করার যাবে না, এগুলোও কমবেশি জেনে ফেলেছেন আপনি। কিন্তু এমন কিছু ছোট ছোট কাজ আছে, যেগুলো ৩০ বছর বয়সের মাঝেই আয়ত্তে এনে ফেললে আপনার মেকআপের দক্ষতা যাবে অনেকটাই বেড়ে, আর অন্যদের চোখে আপনার ইমেজটা হয়ে উঠবে আরও বেশি উজ্জ্বল। দেখে নিন, এই কৌশলগুলো কি আপনার জানা আছে?

১) খুঁজে বার করুন নিজের জন্য মানানসই একটি পারফিউম। যে পারফিউমটি আপনি সব সময় ব্যবহার করতে পারবেন এবং তার সুবাস পেলেই মানুষ আপনার কথা মনে করবে। এমন একটি পারফিউম খুঁজে বের করুন ৩০ বছর বয়সের মাঝেই।

২) আপনার ঠোঁটে দারুণ লাগে এমন একটি লাল লিপস্টিক খুঁজে বের করুন। এমন একটি শেডের লাল, যা আপনার পুরো মুখটাকে করে তুলবে আবেদনময়। এটা হবে এমন এক রঙ যা আপনি যে কোন শোমোয়ে যে কোন জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন।

৩) নিজের ত্বকের সাথে যায় এমন একটা বেইস ঠিক করে ফেলুন। মেকআপ করার জন্য বেইস খুবই দরকারি। বেইস ঠিক না থাকলে নিখুঁত মেকআপ করা সম্ভব নয়। এই কারণে নিজের ত্বকের রঙের সাথে যায় এমন বেইস খুঁজে নিন। বেশ কয়েকটা ব্র্যান্ড নিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন। সময় লাগলেও হাল ছেড়ে দেবেন না।

৪) মেকআপ করতে ভালোবাসেন এমন সবারই স্বপ্ন থাকে কোনো একটা বিশেষ মেকআপের উপাদান কেনার, যেটা হয়তো বেশ দুর্লভ বা দামী। একটু কষ্ট হলেও টাকা জমিয়ে সেটা কিনে ফেলুন বয়স ত্রিশ হবার আগেই।

৫) পারফেক্ট উইংড আইলাইনার দেওয়াটা একটা আর্ট বটে। এটা আয়ত্তে নিয়ে আসুন একটু প্র্যাকটিসের মাধ্যমেই। শিখে নিন চোখ স্মোকি করার কৌশলটাও।

৬) কন্ট্যুরিং শিখুন। এখনকার সময়ে কন্ট্যুরিং করাটা বেশ ট্রেন্ডি। প্রতিদিন কন্ট্যুরিং করতে না পারলেও কখনো যদি সবাইকে চমকে দেবার মতো মেকআপ করতে হয়, তখন এটি আপনার কাজে আসবে।

৭) অনেক তো মেকআপ করার কথা হলো। এবার শুনুন একেবারে মেকআপ ছাড়া চলার কথা। মেকআপ সবসময় করে থাকলে মেকআপ ছাড়া বাইরে যেতে অনেকেরই অস্বস্তি লাগতে পারে। কিন্তু কখনো কখনো একেবারে মেকআপ ছাড়াই চলুন। হালকা ন্যুড লিপস্টিক এবং টাইটলাইন করা কাজল দিয়েই নিজের সৌন্দর্য তুলে ধরুন সবার সামনে।

৮) টিনেজেই শুধু ব্রণ হয় না, ব্রণ হতে পারে ৩০ এর পরেও। তাই শিখুন কী করে ব্রণ সামলে নিতে হয়।

লেখক: কে এন দেয়া






মন্তব্য চালু নেই