মেইন ম্যেনু

যে ১০টি কারণে ঘরজামাই হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ!

অর্জুন কাপুর ও কারিনার ‘কি অ্যান্ড কা’ ছবির সাফল্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে পালটে যাচ্ছে বহুদিনের পুরনো মানসিকতা। গৃহকর্মে নিপুণ কি শুধু মেয়েরাই হয় নাকি? একজন পুরুষও দশভুজ হয়ে সামলাতে পারেন দশ কাজ।

মান্ধাতার আমলের এই ধ্যান-ধারণাগুলিকে চ্যালেঞ্জ করেই বলিউডের সাহসী পদক্ষেপ, ‘কি অ্যান্ড কা’। হাউজওয়াইফ নয়, একজন হাউজ হাজব্যান্ডের গল্প। সিনেমা দেখুন বা না দেখুন, হাউজ হাজব্যান্ড হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কেন? খবর এইবেলার।

জেনে নিন ১০টি কারণ—

১) রোজ সকালে নাকে-মুখে গুঁজে, ট্রেন-বাসে বাদুড় ঝোলা হয়ে অফিস করতে হবে না। এর চেয়ে বড় শান্তি আর কী আছে।

২) বাড়িতে থাকলেই যে বাড়ির সব কাজ করতে হবে তা নয়। বউরা বাড়িতে থাকলেও যখন সব কাজের জন্য কাজের লোক থাকে তখন বরেরাই বা কী দোষ করলো। শুধু কাজের তদারকি করাতে পটু হতে হবে।

৩) বউ কাজে বেরিয়ে গেলেই বাড়ি আপনার দখলে। তখন আপনিই রাজা। ‘যা খুশি’ করতে পারেন, শুধু বউ বাড়ি ফেরার আগে কুকীর্তির সব নিশানা মুছে ফেললেই হল।

৪) গৃহবধুরা মাসে মাসে পকেট মানি পেয়ে থাকেন। আপনিও পেতে পারেন। ভাবুন, বাড়িতে বসেই টাকা রোজগার।

৫) সামাজিক নিয়ম মতে বউদের শ্বশুরবাড়ি যেতে হয় কিন্তু গৃহবরদের যে শ্বশুরঘর করতে হবে এমন কোনও বিধান তো সমাজের নেই। কাজেই আপনি আপনার বাড়িতেই রইলেন, বউকেও শ্বশুরবাড়িতে আসতে হল অথচ আপনাকে সংসারের দায়িত্ব নিতে হল না, সে দায় বউই নিল। সবদিক থেকেই সুবিধে।

৬) অফিস ঠেঙিয়ে, সংসার সামলে যে বন্ধুদের সঙ্গে ঠেক মারতে পারতেন না, সেই বন্ধুদের এবার সুযোগ পেলেই বাড়িতে ডেকে নিন। চা-বিস্কুট সহযোগে আড্ডা জমিয়ে তুলুন।

৭) বউ আর শপিং করে আপনার পার্স ফাঁকা করতে পারবে না। উল্টো আপনিই নানা আবদারে বউয়ের মাথা খেয়ে ফেলুন। তিনি সে আবদার রাখতে বাধ্য। ঠিক যেমন উপার্জনশীল স্বামীরা বউদের আবদার পূরণ করতে বাধ্য থাকেন।

৮) সপ্তাহের ব্যস্ত দিনে মাল্টিপ্লেক্সের মর্নিং শো-তে সস্তায় যে সিনেমাগুলি দেখতে পান না, সেগুলি দেখতে আর বাধা নেই। তেমন হলে বউয়ের সঙ্গেই সকালে বেরিয়ে পড়ুন। তিনি যাবেন অফিস আর আপনি যাবেন সিনেমায়।

৯) বেশিরভাগ বাবাই ছেলেমেয়ের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারেন না। হাউজহাজব্যান্ড হলে অঢেল সময় কাটাতে পারবেন তাদের সঙ্গে। তারাও তখন মা নয়, বাবা-কেই চোখে হারাবে।

১০) ঝড়-বৃষ্টি-হাড়কাঁপানি শীত-চাঁদি ফাটানো গরমে আপনাকে হন্যে হয়ে দু’পয়সা রোজগারের জন্য বেরতে হবে না অথচ জীবন চলবে স্মুদ। এর চেয়ে সুখ আর কোনও কিছুতে আছে?






মন্তব্য চালু নেই