মেইন ম্যেনু

যে ৫টি কারণে কর্মস্থলে বেশি বেশি হাসবেন

কাজের চাপ, মানসিক চাপ বা বিড়ম্বনা পোহাতে করপোরেট পরিবেশের চেয়ে উত্তম কিছু নেই। তাই কর্মক্ষেত্রে দৈহিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা সবচেয়ে কঠিন বিষয়। বিশেষজ্ঞ ও থেরাপিস্টরা মনে করেন, চাপপূর্ণ পরিবেশে হাসি হতে পারে মহৌষধ। তাহলে জেনে নিন হাসির মাহাত্ম্য কেমন হতে পারে।

১. প্রাণশক্তি ফিরিয়ে আনে : ব্যাটারিকে চার্জ দেওয়ার মতো কাজ করে হাসি। ছোটখাটো বিষয়কে হাসির খোরাক বানিয়ে ফেলুন। এতে যে ধকল গেছে তার কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যায়। সহকর্মীদের সঙ্গে সব সময় ইমেইল বা ফেসবুকের যোগাযোগ না করে একটু আলাপ করে নিন।

২. আরো উৎপাদনশীল করে তোলে : সারাদিন কাজের চাপে ক্লান্তি চলে আসে। হাসি দেহে এন্ড্রোফিনস হরমোনের ক্ষরণ ঘটায় যা সুখকর অনুভূতি দেয়। এতে কর্মোদ্যম বৃদ্ধি পায়। মানুষ আরো উৎসাহী ও উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে।

৩. মানসিক চাপ প্রতিরোধী : হাসি অনেকটা মানসিক চাপ প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। খুব মানসিক চাপের মুহূর্তে একটু হেসে দেখুন। তৎক্ষণাৎ ফল পাবেন। ক্লান্তিকর পরিবেশে হাসির মাধ্যমেই উজ্জীবিত হতে পারেন নিমিষেই। হাসির মাধ্যমেই সবার কাছ পছন্দনীয় হয়ে উঠতে পারেন।

৪. কাজের চাপ কমায় : কাজের মাঝে একটু হাসির সুযোগ করে নিতে পারলে চাপ যথেষ্ট হ্রাস পায়। ফলে কাজ একটু সহজ বলে মনে হয়।

৫. সম্পর্ক ভালো করে : অফিসের যে বিভাগটি হাসি-ঠাট্টার মাধ্যমে কাজ করে তারা অন্যদের চেয়ে বেশি কাজ করে। বেশি কাজের মাঝেও তারা অন্যদের তুলনায় বেশি আরামবোধ করেন। এ ছাড়া হাসি সৃষ্টিশীলতা বৃদ্ধি করে এবং মানুষকে বহির্মুখী করে।

-টাইমস অব ইন্ডিয়া থেকে সংগৃহীত






মন্তব্য চালু নেই