মেইন ম্যেনু

যে ৬টি সাধারণ খাবার নিষিদ্ধ বিভিন্ন দেশে!

ভ্রমনপ্রেমী মানুষদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হচ্ছে পছন্দের খাবার প্রিয় কোন দেশে খুঁজে না পাওয়া। খুঁজে না হয় নাই পেলেন। কিন্তু একবার ভাবুন তো, কোথাও বেড়াতে গিয়েছে আর আপনার প্রিয় খাবারটি সে দেশে নিষিদ্ধ! অবাক লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, খুব সাধারণ কিছু খাবার যা আমরা প্রায়ই খেয়ে থাকি, সে খাবারগুলো কোন কোন দেশে নিষিদ্ধও বটে! আসুন, এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১। কেচাপ
আলুর চপ থেকে শুরু করে বার্গার পর্যন্ত সব খাবারের সাথে টমেটো কেচাপ খেয়ে থাকি। এই খাবারটি ফরাসি দেশে নিষিদ্ধ। তারা মনে করেন তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবারে কেচাপ ব্যবহার করে এর স্বাদ নষ্ট করে দেওয়া হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমেটো কেচাপ নিষেদ্ধ করা হলেও ছাত্রছাত্রীরা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে কেচাপ খেয়ে থাকেন।

২। সমুচা
মুচমুচে মজাদার সমুচা অনেকের প্রিয় একটি খাবার। এই খাবারটি সোমালিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়ছে। কারণ হিসেবে বলা হয়ছে এটি অনেক আপত্তিকর এবং অনেক বেশি খ্রিষ্টানীয়।

৩। কাঁচা দুধ
যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার প্রায় ২২টি রাষ্ট্রে কাঁচা দুধ অথবা অপ্রস্তারিত দুধ খাওয়া নিষেধ। ঠিক একইভাবে ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু দেশে কাঁচা দুধ খাওয়া স্বাস্থ্যকর মনে করা হয়।

৪।জেলী সুইটস
জেলী সুইটস বা চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয় আপাত দৃষ্টিতে এটা মনে হতে পারে। কিন্তু এতে ব্যবহৃত কোনজাক নামক উপাদান ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যে আমদানি করা নিষিদ্ধ। মজার ব্যাপার এই খাবারটি জাপানে বেশ জনপ্রিয়।

৫। পাউরুটি
পটাশিয়াম ব্রোমেইট সাধারণত বেকিং এর কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি পাউরুটি তৈরির ডোকে অল্প সময়ে নরম করে তোলে। পটাশিয়াম ব্রোমেইট দিয়ে তৈরি পাউরুটি কানাডা, ব্রাজিল, চায়না, ইইউ তে নিষিদ্ধ। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে এটি ক্যান্সার, কিডনি নষ্ট, থাইরয়েড সমস্যা সহ আরও অনেক রোগ সৃষ্টি করে থাকে।

৬। চাষ করা স্যামন মাছ
স্যামন মাছ বেশ জনপ্রিয় এবং স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। যদিও চাষ করা মাছে যে সকল খাবার খাওয়ানো হয়ে থাকে, তা অ্যান্টিবায়টিক এবং অন্যান্য ঔষধের উপাদান ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই উপাদানগুলো মাছের আঁশকে ধূসর করে তোলে। মাছ বড় হতে হতে এটি আবার গোলাপি রং ধারণ করে থাকে। তবুও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এই মাছ খাওয়া নিষিদ্ধ।






মন্তব্য চালু নেই