মেইন ম্যেনু

যোনিদ্বার ও হাইমেনের সাথে নারীর সতীচ্ছেদের সম্পর্ক কী? জানুন সেই অজানা তথ্য…

হাইমেনের সঙ্গে কৌমার্য জুড়ে গেছে তালেগোলে। হাইমেন শব্দটি এসেছে গ্রিক দেবতা হাইম-এর নাম থেকে। হাইম যেহেতু বিবাহের দেবতা, কোনও অজ্ঞাত কার্য-কারণে হাইমেনের সঙ্গে কৌমার্যের একটা সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে গেছে এবং যুগ যুগ ধরে চলছে। সব চেয়ে মজার ব্যপার সতিচ্ছদের মধ্যে খুব বেশি রক্তবাহী নালী নেই। ফলে প্রথম সহবাসে সে ছিন্ন হলেও খুব যে একটা রক্তপাত হবে তার আশা কম। অর্থাৎ পুরাণ, বিজ্ঞান, সব দিক থেকেই ব্যাপারটা একটা মিথ ছাড়া আর কিছু নয়। তবুও, সমাজের চাপে পড়ে হোক কি স্টাইল স্টেটমেন্ট হিসেবে, হাইমেনাপ্লাস্টি এখন রমরম করে চলছে৷ ‘আধুনিক’ নারীদের মধ্যে সে ভীষণভাবে ‘ইন’ এখন।

যোনিদ্বার বা ভ্যাজাইনার মুখে খুব পাতলা একটা পরদা থাকে, যাকে হাইমেন বলে। এটি অনেকসময় মিলনের সময় ফেটে যাওয়ার ফলে রক্তপাত হয়। তবে রক্তপাত যে হবেই, তার কোনও মানে নেই। অনেকেই মনে করে, হাইমেন ফেটে যাওয়ার অর্থ ভার্জিনিটি হারানো। তবে হাইমেন ছিঁড়ে যাওয়া বা না যাওয়ার সঙ্গে ভার্জিনিটির কিন্তু কোনও সম্পর্ক নেই। অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে এবং বেশি এক্সারসাইজ় বা সাইকেলিং করলেও কখনও-কখনও হাইমেন ফেটে যেতে পারে। হাইমেন ফেটে গেলে আবার রিকনস্ট্রাক্ট করা যায়, তাকে হাইমেনোপ্লাস্টি বলে।

ইমেনোপ্লাস্টি কী
সতিচ্ছদ পুননির্মাণ। ছিন্ন হাইমেনের অংশবিশেষ যে চারদিকে থাকে তাদেরই টেনে এনে জোড়া হয়৷ আধঘণ্টার ব্যাপার৷ অজ্ঞান করে করা হয়৷ এছাড়া বিশেষ পদ্ধতিতে (সারক্লাচ মেথড) যোনিমুখের উপরে-নীচে সেলাই দিয়েও এই কাজ করা হয়৷ অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথার ওষুধ খেতে হয়৷ মাসখানেকের মধ্যে সব স্বাভাবিক হয়ে যায়৷ সামান্য কিছু ক্ষেত্রে এক-আধটু ইনফেকশন হতে পারে৷ ওষুধে তা ঠিক হয়ে যায় সচরাচর৷






মন্তব্য চালু নেই