মেইন ম্যেনু

যৌতুকের মামলায় অতিরিক্ত ডিআইজির জামিন

স্ত্রীর দায়েরকৃত যৌতুকের মামলায় পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সাখাওয়াত হোসেনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই-এর আদালতে আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরুর মাধ্যমে তিনি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রাজধানীর গ্রীন রোডের ৬৯/বি নম্বরস্থ বাদিনীর পিতার বাসায় ২০১৬ সালের ১১ মার্চ আসামি সাখাওয়াত হোসেন স্ত্রী ফারজানা শারমীনকে বলেন, ‘সব সহকর্মী ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনেছে, আমার কোন ফ্ল্যাট নাই। একজন ডেভেলপারের সঙ্গে কথা বলেছি, ৬০ লাখ টাকা হলে মিরপুর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট পাওয়া যাবে।’

এ সময় আসামি স্ত্রীকে আরও বলেন, ‘তোর বাবা একজন উচ্চ পদস্থ পুলিশ অফিসার ছিলেন, চাকুরী জীবনে বহু টাকা পয়সা রোজগার করেছেন। ব্যাংক একাউন্টে অনেক টাকা আছে। তার কাছ থেকে ৬০ লাখ টাকা যৌতুক এনে দাও আমি একটি ফ্ল্যাট কিনবো’। এ সময় বাদিনী যৌতুক দিতে রাজী না হলে আসামি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রচণ্ড শারীরিক নির্যাতন করে এবং বলে, ‘যেদিন বাপের কাছ থেকে যৌতুক বাবদ ৬০ লাখ টাকা আনতে পারবি, সেদিন তুই আমাকে স্বামী হিসেবে পাবি’।

পরে ওই বছরের ১৪ নভেম্বর আসামি উল্লেখিত বাসায় আসলে যথারীতি আপ্যায়নের পর শ্বশুর ৬০ লাখ টাকা যৌতুক দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

এরপর ২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর বাদিনীর বাবা ও চাচা ফের আসামিকে টাকা দিতে পারবেন না বলে জানান। তখন আসামি বলেন, ফ্ল্যাট কেনার জন্য যৌতুকের ৬০ লাখ টাকা না দিলে আমি আপনাদের মেয়েকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবো। যাওয়ার সময় আসামী আরও বলেন, আমি বর্তমানে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে চট্টগ্রাম রেঞ্জে কর্মরত আছি, যদি কোন মামলা মোকদ্দমা করিস তাহলে সবাইকে দেখে নিবো এবং জেলের ভাত খাওয়াবো।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ফারজানা শারমীন হোসেন বাদী হয়ে যৌতুক আইনের ৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।






মন্তব্য চালু নেই