মেইন ম্যেনু

যৌতুক না পেয়ে পতিতালয়ে স্ত্রীকে বিক্রি, স্বাামীসহ গ্রেফতার ৪

প্রেম করে বিয়ের পর যৌতুক না পেয়ে পতিতালয়ে বিক্রিত স্ত্রীকে উদ্ধার ও স্বাামীসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। বুধবার গভীর রাতে দৌলদিয়া পতিতালয় অভিযান চালিয়ে স্ত্রী আয়েশা কে উদ্ধার করা হয়।

এঘটনায় স্বামী রানা, পতিতা সর্দার বৃষ্টি আক্তার, রানার ভাই আশরাফুল ইসলাম ও আব্দুল আলীমকে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করা হলে বৃহস্পতিবার বিকালে গাজীপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সকল আসামীদের জেল হাজতে পাঠায়।

মামলার বাদী আয়েশার ভগ্নিপতি আব্দুল বাতেন জানান, ভবানীপুর এলাকার সিএনএ পোশাক কারখানায় চাকুরী করার সময় গাজীপুর সদর উপজেলার শিরিরচালা গ্রামের রমিজ উদ্দিনের পুত্র রানা ও আয়েশার মধ্যে পরিচয় । তাদের মধ্যে প্রেম ভালোবাস হয় এবং পরিবারের অমতে তারা আড়াই বছর আগে বিয়ে করে। এক পর্যায় আয়েশার পরিবার বিয়ে মেনে নেয়।

মাদকাসক্ত স্বামী রানা যৌতুকের জন্য আয়েশাকে চাপ দিতে থাকে। যৌতুক না দেয়ায় রানা গত ৩জুন স্বপন নামের এক দালালের মাধ্যমে রাজবাড়ীর দৌলদিয়া পতিতালয়ে সর্দারনী বৃষ্টি আক্তারের কাছে ৬৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। এঘটনায় গত ২১ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোর্ট পিটিশন মামলা দায়ের করলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন গাজীপুরকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়।

তদন্ত তদারক কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক খোন্দকার শওকত জাহান জানান, ২৪ জুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সোর্সের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে ১ জুলাই রাতে দৌলদিয়া পতিতালয় অভিযান চালিয়ে আয়েশা কে উদ্ধার করা হয় এবং পতিতা সর্দার বৃষ্টি আক্তারকে আটক করা হয়।

এঘটনায় স্বামী রানা, পতিতা সর্দার বৃষ্টি আক্তার, রানার ভাই আশরাফুল ইসলাম ও আব্দুল আলীমকে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করলে বৃহস্পতিবার বিকালে গাজীপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সকল আসামীদের জেল হাজতে পাঠায়।






মন্তব্য চালু নেই