মেইন ম্যেনু

যৌনজীবনও চাঙ্গা করবে চা!

শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে সারা বিশ্বব্যাপীই চায়ের কদর তুলনাহীন। আর বাঙালির কাছে এই পানীয়ের কদর যেন একটু বেশিই। অতিথি আপ্যায়ন, আড্ডা, গান কোনোকিছুই যেন ঠিক আর জমে ওঠে না চা ছাড়া। সাধারণের জীবন তো কল্পনা করাই মুশকিল৷ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে দিনদিন কত ধরনের স্বাস্থ্যোপকারী চা-ই না আসছে বাজারে। সৌখিন বাঙালি আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে চা পান-পর্বটা সেরে নেন বিছানাতেই। জানেন কি? চায়ের ‘বিশেষ’ উপকার থাকতে পারে আপনার যৌনজীবনেও?

শ্রীলঙ্কার চা শিল্প সংশ্লিষ্টরা এমনটিই দাবি করছে। শুধু মনকে নয়, শ্রীলঙ্কার চা কামনাশক্তিও বাড়ায়-৷ এই তথ্যটি বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চাইছেন দেশটির রপ্তানিকারকরা।

চা উৎপাদন ও রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি দেশ শ্রীলঙ্কা। দেশটির জিডিপি’র প্রায় ১২ শতাংশ আসে চা রপ্তানি থেকে। গত বছর এই খাত থেকে প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার আয় করে শ্রীলঙ্কা। তবে, দেশটির রপ্তানিকারকেরা মনে করছেন, চা রপ্তানি খাতে আয়ের পরিমাণ প্রায় চারগুণ বাড়ানো সম্ভব। এজন্য অনেক কোম্পানি নতুন নতুন পরিকল্পনাও গ্রহণ করছে। এরই একটি হচ্ছে, চায়ের অপ্রকাশিত এই সত্যকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করা।

‘সিলভার টিপ্স’ ও ‘গোল্ডেন টিপ্স’ নামের ‘হোয়াইট টি’র মাঝে এই বিশেষ গুণটি রয়েছে। শ্রীলঙ্কার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এইচভিএ ফুডসের কর্ণধার রোহান ফার্নান্ডো এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সাদা চা তৈরি করতে গাছের একেবারে কচি কুঁড়িগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোর রং সাদা বা সোনালী না হওয়া পর্যন্ত রোদে শুকোনো হয়।

অবশ্য ‘হোয়াইট টি’ পান করলে যে শুধুমাত্র যৌনশক্তিই বৃদ্ধি পায় তা কিন্তু নয়, এর মধ্যে থাকা উপাদানগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। এমনকি রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াও ঠিক রাখতে সহায়তা করে ‘হোয়াইট টি’।

ইতোমধ্যেই চিনা ব্যবসায়ী, সৌদি ও জাপানি ধনকুবেরদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ‘হোয়াইট টি’।






মন্তব্য চালু নেই