মেইন ম্যেনু

রগ কাটার অনুসারীরাই জঙ্গি হামলা চালাচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর রগ কাটার মধ্য দিয়ে যে জামায়াত-শিবিরের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আজ তাদেরই সমর্থনপুষ্ট হয়ে, দেশে একের পর এক জঙ্গি হামলা চালানো হচ্ছে। দক্ষতার সঙ্গে আমরা এসব জঙ্গিকে শনাক্ত করেছি এবং তাদের প্রতিহত করতে সক্ষম হচ্ছি।

রংপুর রেঞ্জ পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে শনিবার বিকেল ৩টায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী সর্বধর্মীয় এক প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো ধর্মেই মানুষ হত্যার কথা বলা হয়নি। সব ধর্মেই মানবসেবার কথা বলা হয়েছে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে চলছে, তখন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক একটি চক্র বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে অরাজকতা সৃষ্টি করছে।

দেশে আইএস নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া ছুটে চলেছি। কোথাও আইএস পাইনি। যারা আছে তারা দেশীয় কিছু বিপদগামী মানুষ। এরা ইসলামকে ধ্বংস করতে চায়। কিন্তু জনগণের সহায়তায় আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তা প্রতিহত করেই চলেছে।

রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের জেএমবি কমান্ডারসহ সব ধরনের জঙ্গিদের গ্রেফতারে পুলিশ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনায় গড়ে ওঠা বাংলাদেশে কোনো অশুভ ষড়যন্ত্র টিকতে পারবে না। ইসলাম হচ্ছে ভ্রাতৃত্ব, শান্তি আর মানবতার ধর্ম। এই পবিত্র ধর্মকে নিয়ে খেলা করার অধিকার কোনো জঙ্গির নেই। কওমি মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দিতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি মেয়র শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক, বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহম্মেদ প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই