মেইন ম্যেনু

‘রত্ন’ মুস্তাফিজে বিস্মিত সাকিব

২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। শুরুতেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, ধূমকেতু নয়, ধ্রুবতারা হতেই এসেছেন সাকিব আল হাসান। যার ফলাফল সাকিব এখন বিশ্বসেরা একজন অলরাউন্ডার। সাকিবের মতোই ওয়ানডেতে ১৯ বছর বয়সে অভিষেক হলো তরুণ মুস্তাফিজের। সাকিব প্রতিপক্ষ হিসেবে জিম্বাবুয়েকে পেলেও মুস্তাফিজ পেয়েছেন ভারতকে। সাকিবের চেয়েও আলো ঝলমলে শুরু হলো তাঁর। টানা দু ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট নিয়ে গড়েছেন ইতিহাস। স্বভাবতই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। সাকিব আল হাসান যেন একধাপ ওপরে। বলেই দিলেন, রত্নের খোঁজ পেয়েছে বাংলাদেশ, ‘মুস্তাফিজ বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় পাওয়া।’

অভিষেকেই দ্বিতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছেন মুস্তাফিজ। আজ যেন আরও বিধ্বংসী। একে একে তুলে নিলেন ভারতীয় ছয় ব্যাটসম্যানকে। গড়লেন একমাত্র বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম দু ওয়ানডেতে ১১ উইকেট পাওয়ার রেকর্ড।

মুস্তাফিজের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে মুগ্ধ সাকিব। কিছুটা যেন বিস্মিতও। ভারতের ইনিংস শেষে সাকিব বলেন, ‘অবিশ্বাস্য বোলিং করেছে আজকে মুস্তাফিজ। প্রথম দু ম্যাচে ও পুরোপুরি পেশাদার বোলারদের মতো বোলিং করেছে।’ বয়সটা কম বলেই সাবধান করে দিতেও ভোলেননি। মনে করিয়ে দিলেন সামনে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে, ‘সে এখনো তরুণ। মাত্র ১৯ বছর বয়স। সে যেভাবে পারফর্ম করছে তাঁর ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল।’

সাকিবের আবির্ভাব বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অন্য এক যুগে নিয়ে গিয়েছিল। সাকিব যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে সোনা কাঠি, রুপো কাঠি নিয়ে হাজির হওয়া সেই রাজপুত্র। এবার মুস্তাফিজ-সৌম্য-তাসকিন-সাব্বিরদের মতো তরুণদের দায়িত্ব, বাংলাদেশের ক্রিকে​টকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়া। বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠিত শক্তি হিসেবে প্রমাণ করা।






মন্তব্য চালু নেই