মেইন ম্যেনু

রমজানে রোজা পালনের ফজিলত

হযরত আদম আলাইহিস সালামের যুগ থেকেই সিয়াম-সাধনার রীতি চালু হয়েছে। সর্বশেষ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর পবিত্র রমজান মাস জুড়ে রোজা পালন ফরজ ইবাদাত হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

এ রোজা পালনের মাধ্যমে মানুষ তার মনের সকল কু-রিপুসমূহকে জালিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে রহমত বরকত ও মাগফিরাত লাভে ধন্য হয়। এক কথায় ছোট সকল গোনাহ থেকে মুক্তি লাভ করে। আর যারা এ মাসে তাওবা করে আল্লাহ তাআলা তাদের বড় বড় গোনাহসমূহও মাফ করে দেন।

এ মাসে রোজা পালনের ফজিলত বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। রমজানের রোজা ফজিলত অত্যাধিক। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনলো; নামাজ প্রতিষ্ঠা করলো; যাকাত আদায় করলো; রমজান মাসের রোজা পালন করলো; তার জন্য আল্লাহ ওপর সে বান্দার অধিকার হলো যে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয়া। (বুখারি)

তাছাড়া আল্লাহ তাআলা রমজান মাসকে নিজের মাস হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘রমজান মহান আল্লাহর মাস।’ সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর মাসে রোজা পালন করবে পরকালীন মুক্তি তার জন্য অবধারিত।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের রোজা যথাযথ পালনের মাধ্যমে জান্নাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।






মন্তব্য চালু নেই