মেইন ম্যেনু

রাজধানীতে ফকিরের হাট!

এ পর্যন্ত রাজধানীতে বিভিন্ন ধরনের হাট দেখা গেছে। তবে এবার একেবারে ভিন্ন এক ধরনের হাটের দেখা মিলেছে। অনেকে হয়তো এমন হাটের কথা কখনো কল্পনাও করেননি।

এবার রাজধানীতে ফকিরের হাটের দেখা মিলল! মনে করা হচ্ছে, এত বড় ফকিরের হাট এবারই প্রথম। তবে অনেকেই বলেছেন, এ রকম ফকিরদের উৎপাত এর আগেও ছিল।

শনিবার জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে পল্টন থেকে কদমফোয়ারা পর্যন্ত প্রায় হাজার খানেক ফকিরকে দেখা যায়। এদের কেউ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে টাকা চাচ্ছেন, কেউ বসে আবার কেউ হেঁটে হেঁটে মুসল্লিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন। ছোট ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে কিশোর-যুবক এমনকি বৃদ্ধরা পর্যন্ত এই কাতারে শামিল হয়েছেন।

এদিকে এত ফকির সামলাতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশকে লাঠি হাতে ফকিরদের তাড়াও করতে দেখা যায়। তবুও ওই ফকিররা যেকোনো উপায়ে মূল ফটকে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।

শাহবাগ থানার এসআই জাফর আহমেদ বলেন, ‘ঈদ জামাতের প্রধান গেটের সামনে থেকে সব ধরনের ফকিরকে সরানোর নির্দেশনা রয়েছে। তাই তাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে দূরে রাখা হয়েছে। তাদেরকে কিছুটা দূরে অবস্থান করতে বলা হয়। এরপরেও কিছু ফকির কৌশলে মূল ফটকের দিকে গেছে।’

সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে ভিজে অনেকেই নামাজ পড়তে মাঠে আসেন। তবে গত বছরগুলোর তুলনায় এবারের জামাতে তেমন উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়নি। এরপর মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা যখন মূল ফটক দিয়ে বের হওয়া শুরু করেন, ঠিক তখনি ফকিরদের আর সামলাতে পারেনি পুলিশ। পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে তারা জামাতের মূল ফটকে গিয়ে অবস্থান নেন।

ফাহিম নামের এক মুসল্লি বলেন, ‘এবারে মুসল্লির চেয়ে মনে হচ্ছে ফকিরের সংখ্যাই বেশি। তাদের সীমার মধ্যে থাকা দরকার ছিল। তারা মানুষের গায়ে একেবারে হুমরি খেয়ে পড়ছে।’






মন্তব্য চালু নেই