মেইন ম্যেনু

রাজনীতিতে ফিরছেন সোহেল তাজ

রাজনীতিতে ফিরতে পারেন তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। তাকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার সব রকম প্রচেষ্টা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছেন। জয়ের বিশেষ উদ্যোগে সোহেল তাজকে বুঝিয়ে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই তো সোহেল তাজ দেশে ফিরে দলীয় রাজনীতিতে ফের সরব হয়ে উঠতে পারেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়ের সঙ্গে তিনি কাজ করবেন। এমন সব তথ্যই দিয়েছে আওয়ামী লীগের একটি সূত্র।

সোহেল তাজ ২০০৯ সালে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। এরপর তিনি সংসদ সদস্য (এমপি) পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয় লাভ করার পর ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি গঠিত মন্ত্রিসভায় সোহেল তাজকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করা হয়। এর পাঁচ মাসের মাথায় ২০০৯ সালেই তিনি পদত্যাগ করেন।

ওই বছর ৩১ মে তিনি পদত্যগ করে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন। কিন্তু তখন তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন বছর পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি চিঠি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি পদত্যাগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারিরও আবেদন জানান। সেই সময় থেকে তার ব্যক্তিগত হিসাবে পাঠানো বেতন-ভাতার যাবতীয় অর্থ ফেরত নেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয় ওই চিঠিতে। এরপর ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিলে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন সোহেল তাজ। গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পদত্যাগের পর কাপাসিয়াবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লেখেন তিনি।

জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ওই বছরই ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংস জেলহত্যার শিকার হন জাতীয় চার নেতা। তাদের অন্যতম ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। তারই ছেলে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে কাপাসিয়া থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনীতিতে সোহেল তাজ দ্রুতই এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। শুধু তাই নয়, তরুণ, উদ্যমী, মেধাবী ও একজন প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে তিনি দল ও মানুষের কাছে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন। এ কারণেই তাকে দলের রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জানি না। তবে তিনি রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে। রাজনীতিতে ছিলেন, তিনি আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হলে সেটি তো ভালো কথা। তাকে আমরা স্বাগত জানাবো।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সোহেল তাজ তো রাজনীতিরই মানুষ। রাজনীতির মধ্য দিয়েই তিনি গড়ে উঠেছেন। রাজনীতি তিনি ছাড়বেন কেন বা রাজনীতিই বা তাকে ছাড়বে কেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, সোহেল তাজ রাজনীতিতে সক্রিয় হলে ভালো হবে। তার মতো সৎ মানুষদের প্রয়োজন এ দেশের রাজনীতিতে। বাংলানিউজ






মন্তব্য চালু নেই