মেইন ম্যেনু

রাজন হত্যার আসামি কামরুলকে ঈদের পরপরই হস্তান্তর করবে সৌদি আরব

সিলেটে ১৩ বছর বয়সী শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে বর্বরোচিতভাবে হত্যার অন্যতম আসামি কামরুল ইসলামকে গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করেছিল জেদ্দা পুলিশ। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই তাকে ঢাকায় প্রত্যর্পণ করা হবে। সৌদিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক কামরুল ইসলামকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর-সংক্রান্ত এ তথ্য দিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আরব নিউজ। ওই কূটনীতিক কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রাজনের মৃত্যুর পরপরই জেদ্দায় পালিয়ে যায় আসামি কামরুল।

আরব নিউজকে ওই কূটনীতিক জানান, জেদ্দা পুলিশের নিরাপত্তা হেফাজতে রয়েছে সে। তিনি বলেন, ঈদের ছুটির পর অধিকতর তদন্তের জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে। সৌদি আরবের একটি বাড়িতে গাড়িচালক হিসেবে কাজ করে কামরুল এবং রাজন হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি হিসেবে চিহ্নিত। শিশু রাজনকে নির্যাতনের ২৮ মিনিটের ভিডিওটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সেটি ফেসবুকে আপলোড করা হয়।

ভিডিও ফুটেজ দেখে তাকে মূল আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। গত ৮ জুলাই সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চোর অপবাদ দিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয় রাজনকে। মাথায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় শিশুটির। পরে তার লাশ গুমের চেষ্টা চালায় সন্দেহভাজন আসামিরা। গত রবিবার কামরুল ইসলামের ভ্রমণ বা দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু, ৮ জুলাই তার ভাই মুহিতকে আটকের পরপরই সে পালিয়ে সৌদি আরবে যায়।






মন্তব্য চালু নেই