মেইন ম্যেনু

রাজন হত্যা: দণ্ডপ্রাপ্ত শামিম-পাভেল কোথায়?

বহুল আলোচিত সিলেটের শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার রায় রোববার ঘোষিত হয়েছে। রায়ে ৪ জনের ফাঁসি, একজনের যাবজ্জীবন, ৩ জনের সাত বছরের কারাদণ্ড, ২ জনের এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ জনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের ওলিউর রহমানের ছেলে জাকির হোসেন পাভেল ওরফে রাজু।

অন্যদিকে সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলামের ছোটভাই সিলেটের সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের ছেলে শামিম আহমদ।

রাজন হত্যাকা-ের পর থেকেই এই দুইজন লাপাত্তা রয়েছে। জনতার স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় রাজন হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৩ আসামির ১১ জনই ধরা পড়লেও পাভেল ও শামিম এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। তারা কোথায় আছে, তার কোনো খবর নেই পুলিশের কাছে।

তবে পুলিশ বলছে, এই দুজনকে ধরতে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সিলেট শহরতলির কুমারগাঁওয়ে (এখানেই রাজনকে হত্যা করা হয়) একটি ভাড়া বাসায় থাকতো জাকির হোসেন পাভেল ওরফে রাজু। তার সঙ্গে স্ত্রীও বসবাস করতেন। তবে রাজন হত্যাকা-ের পরই ‘বাড়ি যাওয়ার’ কথা বলে চলে যায় সে।

ওই বাসার মালিক নেছার আলী জানান, রাজন হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ি যাচ্ছেন বলে স্ত্রীকে নিয়ে চলে যায় পাভেল। এরপর সে বা তার স্ত্রী আর ফিরে আসেনি।

এদিকে পলাতক থাকা পাভেল, শামিমদের মালামাল ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। এরপর নগরীর জালালাবাদ থানা পুলিশ ওই ভাড়া বাসা থেকে পাভেলের মালামাল ক্রোক করে নিয়ে আসে।

এদিকে রাজন হত্যার আরেক হোতা শামিম আহমদও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে অবস্থান করছে। নগরীর জালালাবাদ থানাধীন সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে শামিমদের বাড়ি বর্তমানে তালাবদ্ধ রয়েছে। বাড়ির অপরাপর সদস্যরা কোথায় গেছেন, তা স্থানীয়রা বলতে পারেননি। আদালতের নির্দেশে শামিমের মালামালও ক্রোক করেছিল পুলিশ।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ জানান, পলাতক থাকা পাভেল ও শামিমকে গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই