মেইন ম্যেনু

রাজশাহীর মোহনপুরে অপহৃত ছাত্রী উদ্ধার ও অপহরণকারী শিক্ষককে গ্রেফতার

সরকার দুলাল মাহবুব, রাজশাহী থেকে : রাজশাহীর মোহনপুর ১৫ দিনের মাথায় উপজেলার হাটরা দাখিল মাদরাসার অপহৃত মাদরাসার অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশকে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে কেশরহাট পৌর এলাকার রাজশাহী নওগাঁ মহাসড়কের রাস্তায় কালীতলা ব্রীজ নামক স্থানে অপহরকারী শিক্ষক ছাত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই আব্দুল রউফ ও সঙ্গীয় র্ফোস নিয়ে ছাত্রীকে উদ্ধার করে। পাশাপাশি অপহরনকারী মাদরাসার বিএসসি শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাককে আটক করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, মামলা এজারভুক্ত হওয়ার পর অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) এস এম মাসুদ পারভেজ সার্বিক দিক নিদের্শনায় আসামী রাজ্জাকের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিন-এর মাধ্যমে তাদের অবস্থানের বিষয় নিশ্চিত করা হয়। এরপর কয়েক স্থানে অভিযান চালানো হয়। পরে পবা এলাকায় থানা পুলিশের সহযোতিায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখান হতে পালিয়ে যায় আসামী। অবশেষে গতকাল সোমবার মোবাইল ট্র্যাকিন এর মাধ্যমে জানতে পারে আসামী রাজ্জাক তানোর তুলশি-ক্ষেত্র হয়ে সইপাড়া দিয়ে মান্দা উপজেলা এক আতœীয় বাড়ীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। এ সময় রাস্তার মধ্যে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়।

মোহনপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ(ওসি) এস .এম মাসুদ পারভেজ জানান, আজ মঙ্গলবার উদ্ধারকৃত ছাত্রীকে আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেট নিকট ২২ ধারা জবান বন্ধী নেয়াসহ ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য রামেক হাসপাতলে ও.সি.সি.তে (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) প্রেরণ করা হবে। এছাড়াও আসামী আব্দুর রাজ্জাককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।

উল্লেখ্য মাদ্রাসা পড়–য়া ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মোহনপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন । মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার রায়ঘাট ইউনিয়নে চক-আলম গ্রামের মজিবুর রহমানের মেয়ে ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে। বাগমার উপজেলার কানাইশহর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে ও হাটরা দাখিল মাদসার বিএসসি শিক্ষক আব্দুর রাজ্জার (৩৫) ওই ছাত্রী বিবাহের প্রস্তাব দেয়। বিবাহে রাজী না হইলে জোর করে উঠাইয়া নিয়ে বিবাহ করবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। ছাত্রী এ বিষয়টি তার বাবা ও মাকে জানাইলে ছাত্রীর মা হাটরা দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিকট বিএসসি শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ম্যানেজিং কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষককে কেন সাময়িক বরখান্ত করা হবে না এবং তাকে সংশোধন হওয়ার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়।

ম্যানেজিং কমিটির কাছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক উক্ত এলাকার লালইচ গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আবুল হাসান তার স্ত্রী বিলকিস বানু এবং কানাইশহর গ্রামের সোহরাব হোসেনের সহযোগিতায় আব্দুর রাজ্জাক গত ৭ আগষ্ট সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে অপহরন করে নিয়ে যায়।






মন্তব্য চালু নেই