মেইন ম্যেনু

দেশে ফিরেছেন নায়েক রাজ্জাক

রাজ্জাকের মুখে নির্যাতনের চিহ্ন

অপহৃত হওয়ার ৮ দিন পর অবশেষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবির নায়েক আবদুুর রাজ্জাককে ফেরত দিল মিয়ানমার। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি দেশে ফিরেছেন। কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে বিজিবির একটি দল তাকে নিয়ে দেশে পৌঁছায়। দেশে ফেরার পরও রাজ্জাকের মুখে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজ্জাকের প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছিল জখমের চিহ্ন। হাতে ছিল তার হাতকড়া। নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজ্জাক কোনও জবাব দেননি। চুপ করে থেকেছেন। বিজিবি প্রধান বলেছেন, রাজ্জাকের নাকে নাসাকা বাহিনীর এক সদস্য কামড় দিয়েছিল। এর আগে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় ধস্তাধস্তি হয়। রাজ্জাক বর্তমানে বিজিবির টেকনাফ ক্যাম্পে রয়েছেন। এর আগে গতকাল সকালে বিজিবি ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সঙ্গে পতাকা বৈঠক হয়। ওই বৈঠক শেষে বিকালে রাজ্জাককে বিজিবির প্রতিনিধি দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত ১৭ই জুন ভোরে বিজিবির ছয় সদস্যের একটি দল নায়েক রাজ্জাকের নেতৃত্বে নাফ নদীতে টহল দিচ্ছিল। এ সময় বাংলাদেশের জলসীমায় মাদক চোরাচালান সন্দেহে দুটি নৌকায় তল্লাশি করছিলেন তারা। এরই একপর্যায়ে মিয়ানমারের রইগ্যাদং ক্যাম্পের বিজিপির সদস্যরা একটি ট্রলারে করে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে। বিজিপির সদস্যদের ট্রলারটিকে বাংলাদেশের জলসীমা ছেড়ে যেতে বলা হলে তারা নায়েক রাজ্জাককে জোর করে ট্রলারে তুলে নেয়। বিজিবির অন্য সদস্যরা এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। এতে সিপাহী বিপ্লব কুমার গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন শুরু হয়। কূটনৈতিক ও বিজিবির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও গত ৮ দিন ধরে নানা টালবাহানা করে বিজিবি। একপর্যায়ে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৫৫ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর শর্ত দিয়ে রাজ্জাককে ফেরত দিতে চায় তারা। অবশেষে বাংলাদেশের জোর তৎপরতার কোনও শর্ত ছাড়াই পতাক বৈঠকের মাধ্যমে রাজ্জাককে ফেরত দিতে রাজি হয় মিয়ানমার।

বিজিবি প্রধানের সংবাদ সম্মেলন: রাজ্জাককে নিজেদের হেফাজতে নেয়ার পর গতকাল বিকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশর সীমান্তের মধ্যে জাদিমোড়া নামক স্থান দিয়ে মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণে ইয়াবা ট্যাবলেট পাচার হয়ে আসে। গত বছরে ওই স্থানে চোরাচালান হয়ে আসা প্রায় ১২ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট বিজিবির সদস্যরা আটক করে। বেশি পরিমাণে ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করায় বিজিবির এক হাবিলদার লুৎফর রহমানকে পুরস্কৃত করা হয়। বিষয়টি মিয়ানমারের নাসাকা বাহিনী অবগত ছিল। গত ১৭ই জুন ওই স্থানে বিজিবির নায়েক রাজ্জাক একটি মাছ ধরার নৌকা তল্লাশি করছিলেন। এসময় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে আসে এবং অতর্কিতভাবে ফায়ার শুরু করে রাজ্জাককে তুলে নিয়ে যায়। তারা ওই স্থানে বিজিবির হাবিলদার লুৎফর রহমানকে খুঁজছিল। বিজিবি প্রধান বলেন, ইয়াবা চোরাচালানের প্রতিরোধ করায় রাজ্জাককে অপহরণ করা হয়েছিল। গতকাল বিকালে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবির সদর দপ্তরে মিয়ানমার কর্তৃক রাজ্জাককে ফেরত দেয়ার বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আজিজ আহমেদ বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে এখনও বলছি, বিজিবি’র নায়েক রাজ্জাক দেশের অভ্যন্তরে সীমানার মধ্যে থেকে একটি মাছ ধরার নৌকা তল্লাশি করছিল। এসময় মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর অতর্কিত গুলিতে বিজিবির সদস্য বিপ্লব আহত হয়। আর রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ৯ দিন ধরে আমরা তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য বারবার মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু, তারা বারবার আমাদেরকে জানায় যে, ঊর্ধ্বতন মহলের অনুমতি পেলে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। এরপর দুপক্ষের পতাকা ও সমঝোতা বৈঠকের পর গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টায় তাকে মায়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী তাকে ফেরত দেয়। এসময় তারা ১টি রাইফেল, ২২ রাউন্ড গুলি, ১টি ওয়াকিটকি ও ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ফেরত দিয়ে দেয়। রাজ্জাক বর্তমানে সুস্থ আছেন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ার ছবি প্রকাশ পেয়েছে। বিষয়টি রাজ্জাক সেখানে দায়িত্বরত বিজিবির সদস্যদের জানিয়েছেন যে, ঘটনার দিন তিনি মাছ ধরার নৌকা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তখন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সেখানে গিয়ে নৌকা তল্লাশিতে বাধা দেয়। এতে তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে তারা তাকে নাফনদের ওপারে নিয়ে যায় এবং তাদের মিয়ানমানারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক সদস্য তার নাকে কামড় দেয়ায় তার নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে আমরা বিষয়টি শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করেছি। দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যেন অটুক থাকে ওই বিষয়টি ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল কূটনীতিকভাবে সমস্যার সমাধানের করার। ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্টদূতকে তলব করা হয় এবং এর কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। মিয়ানমারে বাংলাদেশের নিযুক্ত রাষ্টদূতও বিষয়টি ওই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন।
রাজ্জাকের নাক দিয়ে রক্তঝরা ছবি ফেসবুকে আপলোড হওয়ায় দেশের ও বিজিবির মান ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি ওই দেশের ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকেও তদন্ত হচ্ছে, কারা সোশ্যাল মিডিয়ায় হান্ডক্যাপ পরিহিত অবস্থায় তার ছবিটি অ্যাপলোড করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তিনি তার শাস্তি দাবি জানান। দেশের বিভিন্ন দল বিজিবি’র সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিষয়টির ব্যাপারে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ১৯৮০ সালে যে ল্যান্ড বাউন্ডারি চুক্তি হয়েছিল ওই চুক্তি অনুযায়ী বিজিবির সদস্যরা নিয়মনীতি মেনে চলেন। কোন সাংঘর্ষিক নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না। আমরা সবোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি। বিজিবির আমাদের সক্ষমতা কেমন গত ২রা জুন বার্মা টাইমস নামে ওই দেশের প্রধান ইংরেজি দৈনিকে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ওই খবর পড়লে বোঝা যাবে যে আমাদের সক্ষমতা কেমন? অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, রাজ্জাকের সন্তান হওয়ার পরেই আমরা ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন সামগ্রী তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে এসময় বিজিবি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আমি সুস্থ আছি: অপহৃত হওয়ার আট দিন পর দেশে ফিরে আসা বিজিবির নায়েক আবদুর রাজ্জাক সুস্থ্‌ আছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যা ৬টার পর নায়েক রাজ্জাককে নিয়ে টেকনাফ ৪২ বিজিবির অধিনায়কের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা টেকনাফ স্থলবন্দরের পুলিশ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পৌঁছান। সেখান থেকে বিজিবির টেকনাফ সদর দপ্তরে রওনা হওয়ার আগে রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সুস্থ আছি।’ এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাজ্জাক যখন ফিরে আসেন সে সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির মধ্যে বোট থেকে রাজ্জাককে পায়ে হেঁটেই ঘাটে উঠে আসতে দেখা যায়। বাহিনীর পোশাক পরিহিত রাজ্জাকের নাকে কাটা দাগ ছিল। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর বিজিপি তাকে নির্যাতন করেছে কি না জানতে চাইলে তিনি চুপ করে থাকেন। নাকের ক্ষতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বলেন, ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় কেটে গেছে। কক্সবাজার বিজিবির উপ অধিনায়ক মেজর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বিকাল সোয়া ৪টার দিকে হস্তান্তরের পরপরই রাজ্জাককে পরীক্ষা করেন বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে থাকা মেডিক্যাল অফিসার মেজর মো. শাহ আলম। পরে তারা স্পিড বোটে করে দেশের পথে রওনা হন। তিনি সুস্থ আছেন।
পাঁচ ঘণ্টার পতাকা বৈঠক: এক সপ্তাহের অনিশ্চয়তার পর আবদুর রাজ্জাককে ফিরিয়ে আনতে গতকাল সকালে মিয়ানমারের মংডুর পথে রওনা হয় বিজিবির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় পতাকা বৈঠক। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন টেকনাফ ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আবুজার আল জাহিদ। মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ২ বর্ডার গার্ড পুলিশের লেফটেন্যান্ট কর্নেল থি হান। পতাকা বৈঠকের বিষয়ে বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে এ ধরনের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে নায়েক রাজ্জাকের ব্যক্তিগত অস্ত্র (এসএমজি), ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদও বিজিপি ফেরত দিয়েছে। বৈঠকে নেতৃত্বদানকারী টেকনাফ ৪২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আবুজার আল জাহিদ মিয়ানমার থেকে ফিরে জানান, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে উভয় দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অপহৃত নায়েক মো. আবদুুর রাজ্জাককে বিজিপি থেকে ফেরত নেয়ার আগে মেডিক্যাল অফিসার কর্তৃক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় এবং তিনি সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন। পরে তাকে অধিনায়কের গাড়ি করে টেকনাফ ব্যাটালিয়নে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

৮ দিন পর হস্তান্তর: গত ১৭ই জুন ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে গোলাগুলির পর বিজিবি সদস্য রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় বিজিপি। ওই ঘটনায় সিপাহী বিপ্লব নামে আরেক বিজিবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার দিন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘ভুল বোঝাবুঝি’ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। রাজ্জাককে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমার থেকে সাড়া না পেয়ে পরদিন ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়। অপহৃত বিজিবি সদস্যকে দ্রুত ফেরত পাঠাতে বলা হয় তাকে। অপরদিকে বিজিবির পক্ষ থেকে কয়েক দফা পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলেও মিয়ানমারের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি ঝুলে থাকে। টালবাহানা করতে থাকে মিয়ানমার। এরই মধ্যে বিজিপির ফেইসবুক পেজে নায়েক রাজ্জাকের দুটো ছবি প্রকাশ করা হয়, যাতে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাতকড়া হাতে দেখা গিয়েছে। এদিকে রাজ্জাকের স্ত্রীর আসমা বেগম গত রোববার সকালে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। বিষয়টি সংবাদ শিরোনাম হলে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে মিয়ানমারের ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। জাতীয় সংসদেও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন একজন এমপি। একপর্যায়ে শর্তের বিনিময়ে রাজ্জাককে ফেরত দিতে রাজি হয় মিয়ানমার। তারা দাবি করে, মিয়ানমার উপকূলে পাচারকারীদের নৌকা থেকে উদ্ধার ৫৫৫ জনকেও বিজিবি সদস্য রাজ্জাকের সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিতে হবে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার ‘অতিরিক্ত করছে’। ওই দিন সন্ধ্যায় বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বৃহস্পতিবার পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কোন শর্ত ছাড়াই রাজ্জাককে ফিরিয়ে আনার কথা বলেন। মিয়ানমারের পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এর ধারাবাকিতায় ৮ দিন পর গতকাল পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দেশে ফেরেন নায়েক রাজ্জাক। মানব জমিন






মন্তব্য চালু নেই