মেইন ম্যেনু

রাণীশংকৈলে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালিত

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ৯ ডিসেম্বর শুক্রবার আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালিত হয় ।এ উপলক্ষে এদিন সন্ধ্যা ৬ টায় প্রধান বধ্যভূমি খুনিয়াদিঘিতে এবং অপর বধ্যভূমি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে আলোক প্রজ্জলন ও এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাননীয় এম.পি অধ্যাপক মোঃ ইয়াসিন আলী।

উপজেলা চেয়ারম্যান আইনুল হক, কমিটির আহবায়ক ওসি রেজাউল করিম, আ’লীগ সভাপতি সইদুল হক,জাপা সভাপতি আজিজুল ইসলাম,কমিউনিস্ট পাটি সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক বিজয় কুমার, মহিলা লীগ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, প্রশান্ত বসাক প্রমুখ।

উল্লেখ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের গণহত্যার ভয়বহতা স্বাধীনতার দাবি করা পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের আন্দোলনকে গুঁড়িয়ে দিতেই লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করে পশ্চিমপাকিস্তানের সামরিক সরকারের সেনাবহিনী। পরিকলপ্তিভাবে এ হত্যা ও আক্রমন নামিয়ে এনেছিল বাংলাদেশের মাটিতে। সে দিন স্বাধীনতার যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সমস্থ সক্ষম যুবক, তরুনকেই মুক্তিযোদ্ধা বলে সন্দহে করা হত। আর তাই হাজার হাজার সংখ্যায় গ্রেফতার ও অত্যাচার করে হত্যা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বড় ও ছোট শহরগুলিতে সব বয়সী হয়ে গিয়েছিল। এরা সবাই ভারতে নয়তো মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিল।

এ ধরনের কিশোর কিশোরীদের পাকিস্তানী সেনারা খুঁজে বেড়াত আর তাদের পাইকারী হারে ধরে নিয়ে যাওয়া হতো এবং তার পরে আর কোন দিন তাদের দেখা মিলতনা। পুষদের লাশ ভাসত নদীতে, পরে থাকতো মাঠে অথবা পুকুরে কিংবা সেনা ছাউনীর কাছে। এর ফলে আতঙ্কিত ১৫ থেকে ২৫ এর কিশোর যুবক সবাই একগ্রাম থেকে অন্য গ্রামে অথবা ভারতে কিংবা মুক্তিযুুদ্ধে যাওয়া চেষ্টা করেছিল। গণ্য হত্য চলাকালীন হিন্দুদের খুঁজে ঘটনা স্থলে মেরে ফেলা হতো। পাকিস্তানের সৈন্যরা পুরুষদের পরীক্ষা করে দেখত তাদের সুন্নাত করা আছে কি না যদি তা থাকত তবে বাসত নচেত মৃত্যু।






মন্তব্য চালু নেই