মেইন ম্যেনু

রাণীশংকৈল যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ‘নুরু’- মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

মুক্তিযোদ্ধা নুরু ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। গ্র“প কমান্ডার ছিলেন ক্যাপ্টেন কাউসার। বর্তমানে হাপানী, শ্বাসকষ্ট ও লিভার জন্ডিসে আক্রান্ত এই যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম নুরু। ছোট ছোট শব্দে বির বির করে ‘প্রথম খবর’ প্রতিনিধিকে দেখে কেঁদে ফেলেন, আর বলেন রাণীশংকৈলে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম আমার বন্ধু।

অথচ আমি অসুস্থ হওয়ার পর একদিনও কেউ দেখতে আসেনি। তিনি আক্ষেপের স্বরে বলেন একজন দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার সম্মান ও সহযোগীতা দিতে এ এলাকার মানুষের পীছু টান। এই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম (নুরু) এর চোখের পানি এই স্বাধীন বাংলায় গড়িয়ে পরতে দেখে বিস্মিত হতে হয়েছে অনেকবার। এমন দৃশ্য অবলোকন করা সত্যিই কষ্টের!

আবেগে আপ্লুত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা নুরজ্জামান নুরু বলেন একজন রাজাকারের বিচার হওয়া দরকার এই ধর্মগড়ের মাটিতে। যারা জমি দখলের মত অপকর্মে লিপ্ত তাদের বিচার হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। লিভার ক্যান্সারে তাঁর শরীরের অবস্থা ভালো নেই। মনে হচ্ছে কোন চাওয়া পাওয়া স্পর্শ করতে পারেনি তাকে। কাঠের তৈরিতে চৌকিতে এপাশ ওপাশ ফিরে যুদ্ধের বর্ণনা করে চলছেন কান্না ভরা কণ্ঠে! তাঁর দুই বউয়ের সংসারে ১০ ছেলে ৮ মেয়ের সংসারে তেমন কোন কলহ নেই বললেই চলে।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নুরু রাণীশংকৈল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ১৯৭১ সালের ৯ মাস যুদ্ধের মাধ্যমে এই নুরুর মত বীর সন্তানেরা দেশ স্বাধীন করেছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন সংগ্রামের ভিতর স্বাধীনতা আর সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এলাকাবাসী এই অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা নুরুর চিকিৎসার জন্যে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন!






মন্তব্য চালু নেই