মেইন ম্যেনু

রাতের আঁধারে ব্রিজ গায়েব!

কুড়িগ্রাম: রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের সোনাভরী নদীর ব্রিজ রাতে আঁধারে গায়েব হয়ে গেছে। ব্রিজটি কোথায় গেছে তা কেউ বলতে পারছে না। এখন পর্যন্ত ব্রীজটির কোনো সন্ধানও পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ব্রিজ আর দেখা যাচ্ছে না। তবে তীব্র স্রোতে ব্রিজটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

এদিকে, খবর পেয়ে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শঙ্কর কুমার বিশ্বাসসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় আ. কাসেম (৭০) ও আ. জলিল (৫০) জানান, বন্যা শুরুর আগে থেকে ব্রিজের কাছে প্রভাবশালীরা বালু বিক্রি করেন। এতে ওই স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, নদীর স্রোতে ব্রিজটি উল্টে ওই গর্তেই দেবে গেছে। বালু ব্যাবসায়ীদের কারণে হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। ওই ব্রিজটির ওপর দিয়ে রৌমারী উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন রৌমারী থেকে কুড়িগ্রামে যাতায়াত করে এবং উপজেলার সব প্রকার মালামাল বহনের রাস্তার ছিল। ব্রিজটি উল্টে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন জানান, রৌমারী শহর থেকে কুড়িগ্রামে আসা নৌ-ঘাটের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ হিসেবে ২০০৪ সালের দিকে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। ব্রিজটি যাতে উল্টে না যায় সে জন্য তারা দু’দিন ধরে সব ধরনের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা করা গেল না। ব্রিজ না থাকায় রৌমারী ও কুড়িগ্রাম থেকে আসা হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, ব্রিজটি রক্ষা করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। কিন্তু পানির স্রোত বেশী থাকায় ব্রিজটি উল্টে গেছে। পানি কমলেই বোঝা যাবে ব্রিজটি কোথায় আছে।






মন্তব্য চালু নেই