মেইন ম্যেনু

রাতের হোটেলে দশ নারীর মাঝে একা বোল্ট

এখানেই যদি সব কিছু শেষ হয়ে যেত, তাহলে তো ভালই হত। বোল্ট-উপাখ্যান শেষ হইয়াও যেন হইল না শেষ। রিওর পরে বোল্টের মৃগয়াক্ষেত্র লন্ডন।

এতদিন ধরে সবাই জানতেন ‘ক্যারিবিয়ান দৈত্য’ ক্রিস গেইল ‘পার্টি অ্যানিমাল’। খেলার শেষে পার্টিতে মাতেন গেইল। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের সময়ে গেইলের খুল্লমখুল্লা সব ছবি প্রকাশিত হয়েছিল।

রিও অলিম্পিক্স সব অর্থেই মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়া। রিওতে ইউসেইন বোল্ট রেকর্ড গড়েছেন। তিনি যে বিশ্বশ্রেষ্ঠ তা প্রমাণ করেছেন ট্র্যাকে আগুন জ্বালিয়ে। তিনটি অলিম্পিক্স থেকে টানা ন’টি সোনা জেতার নজির গড়েছেন বোল্ট। এখানেই অবশ্য সবকিছুর শেষ নয়। এরপরও রয়েছে।

রিওতে জেডি ডুয়ার্টকে নিয়ে বিছানায় ঝড় তুলে গোটা বিশ্বে আলোড়ন তৈরি করে দিয়েছেন জ্যামাইকান স্প্রিন্টস্টার। আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে সেই রাতে বোল্টের শয্যাসঙ্গিনী ঝাঁপি খুলে সব প্রকাশও করে দিয়েছেন এক বিদেশি সংবাদমাধ্যমে।

সেখানে জ্যামাইকান কিংবদন্তি রাতভর পার্টিতে মেতেছেন। এক জন, দু’জন নয়, দশ-দশজন নারীর সঙ্গে উদ্দাম পার্টিতে মজেছেন। তাঁদের সঙ্গ উপভোগ করেছেন। গোটা রাত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন সেই মহিলাদের সঙ্গে। তাঁদের বাধা দেওয়ার কেউ নেই। বোল্ট যে নিষেধ মানার বান্দাই নন।

লন্ডনের পার্টিতে উদ্দাম বোল্ট। ক্লান্তি গ্রাস করেনি তাঁকে। রিও হোক বা লন্ডন বোল্ট যে নদীর মতোই গতিশীল। ঠিক যেমন ট্র্যাকে আগুন ঝরান, তেমনই পার্টিতে বোল্ট আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। রাত একটা নাগাদ হোটেলে প্রবেশ তাঁর। সকাল সাড়ে চারটে পর্যন্ত চলে উদ্দামতা।

লন্ডনের সেই হোটেলে রাত সাড়ে তিনটের পরে কাউকে থাকতে দেওয়া হয় না। বোল্টকে অন্যদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। জ্যামাইকান স্প্রিন্টার ও তাঁর সঙ্গিনীরা দীর্ঘক্ষণ হোটেলে ছিলেন। চুটিয়ে আনন্দ করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এক জন বলছেন, ‘‘বোল্টকে দারুণ খুশি দেখাচ্ছিল। দারুণ স্পিরিটেড। মুখে হাসি লেগেইছিল। বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে দেখা গিয়েছে বোল্টকে। অলিম্পিক্সে সোনা জয় উপভোগ করছিল পুরোদস্তুর।’’ পার্টি শেষ হওয়ার পরেই বোল্টের সঙ্গিনীরা হোটেল ছেড়ে চলে যান। বোল্ট অবশ্য ফিরে আসেন দু’জন বন্ধুকে নিয়ে। নিজের ঘরে গিয়ে আনন্দ করেন।-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই