মেইন ম্যেনু

রাতে চাদরের নিচে সাবান রেখে ঘুমান, ঘটবে অবিশ্বাস্য কাণ্ড!

মূলত এটি একটি ঘরোয়া টোটকা। যারা ঘুমের ভেতর পায়ে যন্ত্রণা বা টান লাগার সমস্যায় ভোগেন, এর মাধ্যমে তারা মুক্তি পাবেন। এই সমস্যাকে বলা হয় চার্লি হর্সেস। স্নায়বিক সমস্যার কারণেই এমনটা হয়ে থাকে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এছাড়া কিডনির রোগ, অতিরিক্ত মদ্যপান বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও ঘটে থাকে এমনটা। এ তথ্য দিয়েছে কলকাতার সংবাদ মাধ্যম এবেলা।

ঘুমানোর সময় বিশেষ করে যখন সবেমাত্র ঘুমটা আসছে, তখনই আচমকা টান ধরে যায় পায়ের গোড়ালির একটু উপরের অংশে কিংবা উরুতে। ঘুমটা চটে যায়, উপরন্তু অনেক সময় সকাল পর্যন্ত ব্যথার রেশ থেকে যায়।

মার্কিন ম্যাসাজ থেরাপিস্ট ভেলমা ভ্যালোরও এই সমস্যায় ভুগতেন। চিকিৎসকরা বললেন, এই সমস্যার কারণটিকে খুঁজে বের করে নির্মূল করতে হবে। কিন্তু সেই চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ। ভেলমা কিঞ্চিৎ হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তারপর নানারকম ঘরোয়া টোটকা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে গিয়ে তিনি নিজেই আবিষ্কার করে ফেলেন এমন একটি ঘরোয়া কৌশল, যার মাধ্যমে ঘুমের মধ্যে পায়ের যন্ত্রণা থেকে হাতেনাতে মিলতে পারে মুক্তি। জেনে নিন কি সেই জাদুকরী পন্থা।

ভেলমা রাতে ঘুমানোর সময় বিছানার চাদরের নিচে একটি সাবানের বার রেখে দিতে শুরু করেন। সাধারণ গোসল করার সাবানই ছিল সেটি। কিন্তু তাতেই অবিশ্বাস্য ফল পাওয়া গেল। ভেলমা মুক্তি পান ঘুমের মাঝে পায়ের যন্ত্রণা থেকে। কিন্তু এই ঘরোয়া টোটকা কি কাজ করবে অন্য মানুষের ক্ষেত্রেও? মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার গবেষকরা বলছেন, আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গেছে, প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রেই এই কৌশল কার্যকর। যারা ঘুমের মধ্যে পায়ে খিঁচ ধরার সমস্যায় ভুগতেন, তাদের অনেকেই ঘুমের সময়ে বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে দেখেছেন, মুক্তি মিলেছে সেই সমস্যা থেকে।

তবে কীভাবে একটি সাবান নিষ্কৃতি দিতে পারে পায়ের যন্ত্রণা থেকে তা জানা যায়নি। একটা সম্ভাব্য কারণ হতে পারে এই যে, শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব ঘটলে পায়ে এই ধরনের টান ধরে। আর সাবানে থাকে ম্যাগনেসিয়াম। কাজেই এমনটা হওয়া অসম্ভব নয় যে, সাবানের সংস্পর্শে পা দু’টি থাকলে, পায়ের ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি কিছুটা লাঘব হয়। সেই কারণেই হয়তো মুক্তি মেলে পায়ের আকস্মিক যন্ত্রণা থেকেও।






মন্তব্য চালু নেই