মেইন ম্যেনু

রাতে শিলাবৃষ্টির শঙ্কা: ধর্মশালায় বৃষ্টির লুকোচুরি

সকালে বৃষ্টি ছিল না। কিন্তু বিকেল পড়তেই আকাশ জুড়ে বৃষ্টির লুকোচুরি শুরু হয়েছে। এই আছে, এই নেই। নেদারল্যান্ডস-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি এখনো শুরু হতে পারেনি। মাঝখানে শুধু টসটাই হয়েছে। পূর্বাভাস বলছে রাতে বাংলাদেশের ম্যাচের সময় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। যথেষ্ট ঠাণ্ডা থাকবে। তাপমাত্রা নেমে যাবে ৬, ৭ ডিগ্রিতে।

গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে বৃষ্টি একটু বিরতি দেয়। টানা বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত অনুশীলন করতে পারেনি দুই দল। আরাফাত সানি নাকি বৃষ্টি মাথায় করেই পরীক্ষা দিতে চেন্নাই রওনা হন সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে।

ধর্মশালার মাঠে মিরপুরের মতো নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলেও বাইরের অবস্থা ঢাকার চেয়ে ঢের ভালো। ঢাকায় যেখানে ৩০ মিনিট টানা বৃষ্টি হলে রাস্তা ডুবে যায়, ওখানে সারাদিন বৃষ্টিতেও রাস্তায় পানি দাঁড়াতে পারছে না। মাঠের প্রায় পুরোটা অংশ ঢেকে রাখা হয়েছে।

প্রতিপক্ষ ওমান বলে বাংলাদেশের স্বস্তিতে থাকার উপায় নেই। বৃষ্টি যদি রাতে থেমে থেমে হয়, আর খেলা যদি ৫ ওভারে নেমে আসে তবে বিপদ হতে পারে। এই চিন্তাই এখন ভর করছে বাংলাদেশের ওপর। কেননা খেলার সময় যত কমে আসে, ততই সুযোগ বেড়ে যায় অপেক্ষাকৃত ছোটো দলের জন্য। কম ওভারে স্কিলের কিছু থাকে না, ধুমধাম দুই একটা লেগে গেলে ম্যাচ বেরিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই হোটেলের ব্যালকনিতে বসে মাশরাফি-সাকিবদের উদভ্রান্ত মেঘে মন হারবার উপায় নেই। চাতকের ‘শত্রু’ অথবা ‘বন্ধু’ তাদের হতেই হচ্ছে।

চাতক চায় বৃষ্টি নামুক। বাংলাদেশের চাওয়া একটু বেশি। নামলে যেন না থামে। খেলা না হলে যে মূল পর্বে তারাই যাবে। আর বৃষ্টি না হলে একটুও হওয়ার দরকার নেই। চাতক পাখি এই প্রার্থনা শুনলে অভিমান করবে? করুক না। একদিনের অভিমানে কী আর আসে যায়। পাখিদের হয়তো জানা নেই, এই প্রার্থনার ‘সীমা’ নেই!






মন্তব্য চালু নেই