মেইন ম্যেনু

রাত হলেই এই রাস্তায় অতৃপ্ত আত্মার মহিলাদের দেখা যায়!

ভূতে হয়তো আমরা কেউ বিশ্বাস করি, আবার কেউ বিশ্বাস করি না! কিন্তু ঘরের কোণ কিংবা অন্ধকার রাস্তায় মাঝেমধ্যে কী এমন মনে হয় না কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছেন? আপনার প্রত্যেকটা পদক্ষেপ খুব ভাল করে খেয়াল করছেন কিন্তু আপনি তাকে ঠিক দেখতে পাচ্ছেন না! কিন্তু তার উপস্থিতি বেশ টের পাচ্ছেন! সত্যি বলুন ভয় লাগবে না?

এমন কত ঘটনাই ঘটে মানুষের জীবনে| কিছু কথা জানতে পারা যায় আর কিছু রয়ে যায় সম্পূর্ণ অজানা! পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া স্টেশন থেকে সরকারি ফরেস্ট বাংলো যাওয়ার রাস্তাটির কথা জানা আছে? শোনা যায় ওই রাস্তা দিয়ে রাতের বেলায় যাতায়াত করা মানা৷ রাস্তাঘাটের অবস্থাও বেশ খারাপ এবং আলো না থাকার জন্য বিশেষ কেউ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন না৷

কলকাতার অভি আর তার বন্ধুরা কখনও পুরুলিয়া যান নি৷ পুরুলিয়ায় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করে অভি ঠিক করেছিলেন সরকারি ফরেস্ট বাংলোতে উঠবেন৷ কিন্তু পুরুলিয়া পৌঁছাতে রাত হয়ে গিয়েছিল বেশ৷ তাই ফরেস্ট বাংলো যাওয়ার জন্য স্থানীয় একটি সুমো গাড়ি ভাড়া করেন তারা৷

কিন্তু বিপত্তি বাধে তখনই৷ ওই পথে গাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন চালক৷ কারণ জিজ্ঞাসা করলে নানাধরনের অজুহাত দিলেও তার চোখেমুখে ভয়ের ছাপ ছিল স্পষ্ট৷ শেষটায় অনেক কষ্টে অভি ও তার বন্ধুরা চালককে গাড়ি নিয়ে যেতে রাজি করেন৷ কিন্তু বাংলোর পথে যাওয়ার সময় তারা লক্ষ্য করেন, রাস্তার অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ৷ মাটির রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছিল কোনওমতে৷ কিন্তু অন্ধকার রাস্তায় পথ হারিয়েছিলেন ওরা প্রত্যেকেই৷

কিন্তু চালকের দাবি তার রাস্তা জানা ছিল ভালভাবেই৷ তবে ঠিক হয়েছিল কী সেই রাতে? পথ হারিয়ে বেশ ভয় পাচ্ছিলেন চালক৷ আর প্রায় এক ঘণ্টার রাস্তা পেরিয়েও যখন অভি ও তার বন্ধুরা ফরেস্ট বাংলোয় পৌঁছতে ব্যর্থ তখন তো ভয় লাগায় স্বাভাবিক৷

কিন্তু এরপরই সেই অদ্ভুত মহিলার দেখা পেলেন তারা৷ আলুথালুভাবে রাস্তা ধরে হেঁটে চলেছে৷ প্রাথমিকভাবে কলকাতার ছেলে অভি ভেবেছিলেন, মহিলা বোধহয় স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা৷ তাই তিনি ও তার বন্ধুরা মহিলাকে ডাকেন এবং ফরেস্ট বাংলো যাওয়ার রাস্তা জানতে চান৷ কিন্তু মহিলা কোনও উত্তর দেননি!

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা দরকার, অভি জানিয়েছেন, এই গোটা ব্যাপারটা ঘটার সময় অভি বা তার বন্ধুরা কেউই মহিলার মুখ দেখতে পাননি৷ ভয়ে, চিন্তায় একরকম দমে যাওয়ার অভি আবারও মহিলাকে একই প্রশ্ন করলে, মহিলা ডানদিকে ইশারা করেন৷ কিন্তু মুখ দিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন নি৷

ওই মহিলার কথা মেনেই শেষটায় ফরেস্ট বাংলোয় পৌঁছায় অভি ও তার বন্ধুবান্ধব৷ কিন্তু সেখানে উপস্থিত দারোয়ান এবং রাঁধুনি তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানতে পেরে জানান, ওই রাস্তা সত্যিই ভূতুড়ে৷ রাতে ওই পথ দিয়ে কেউ যাতায়াত করেন না৷ ইতিহাস বলে ওই রাস্তায় পাশবিকতার শিকার হয়েছেন বহু নারী৷ আর তাদের অতৃপ্ত আত্মা আজও সেখানে রয়ে গিয়েছে৷ যদিও অভি ও তার বন্ধুরা অশরীরীর কোপের শিকার হননি, তবে রাতে ওই পথে ফেরার সময় বহু ব্যক্তিই নাকি অশরীরীর পাল্লায় পড়েছেন৷






মন্তব্য চালু নেই