মেইন ম্যেনু

রাত হলেই এই হোটেলের ফাঁকা ছাদে শোনা যায় অদ্ভুতুড়ে শব্দ!

“আপ সির্ফ ইনসানো কা ইলাজ করনা জানতে হ্যায়…বিগড়ি হুই আত্মাও কা নেহি”৷ মনে পড়ছে কথাটা? কোন সিনেমাটা মনে পড়ছে? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন বলছি বিক্রম ভাটের ‘রাজ’-এর কথা৷ যা দেখতে গিয়ে সিনেমাহলে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল৷

কিন্তু, জানেন কী? রিল লাইফের এই অশরীরীর কথা তুলে ধরতে গিয়ে রিয়েল ভূতের খপ্পরেই পড়েছিল বিক্রম ভাটের টিম৷ পাইনের আলো-আঁধারির মধ্যে প্রায় নির্জন স্থানেই অবস্থিত উটির ফার্নহিল হোটেল৷ সেখানেই নিজের ডান্সারদের নিয়ে উঠেছিলেন কোরিওগ্রাফার সরোজ খান৷ পরদিন ভোরবেলা শুট তাই তড়িঘড়ি নৈশভোজ সেরে সবাই শুতে চলে যান৷

হঠাৎ ছাদের ওপর দুমদাম শব্দ৷ কেউ যেন কোনও ভারী কিছু সরাচ্ছে৷ আওয়াজে তিতিবিরক্ত হয়ে রিসেপশনে ফোন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ কিন্তু, ফোনটা তুলতেই বোঝা গেল সেটা ডেড৷ এদিকে শব্দও থামার নাম নেই৷ শেষে ঠিক হয় নিচে নেমে গিয়ে অভিযোগ জানানো হবে৷ সেই মতো সবাই এসে রিসেপশনিস্টকে জানান৷ কিন্তু, রিসেপশনিস্ট জানান ওপরে ফাঁকা ছাদ৷ আর তাতে কিছু নেই বা কেউ থাকার সম্ভাবনাই নেই৷ কারণ ছাদ তো দু’পাশে ঢালু৷

শুনে ভয়ে শিউরে ওঠে গোটা ইউনিট৷ কোনওক্রমে রাতটা রিসেপশনে কাটিয়ে বেরিয়ে যায় সবাই৷ ভয়ের এই কাহিনী পরে উঠে আসে স্বয়ং বিপাশা বসুর মুখে ছবির প্রচারের ফাঁকে৷ এই অভিজ্ঞতা শুধু তাদের নয়, ফার্নহিল হোটেলে থাকতে যাওয়া অনেক মানুষেরই হয়েছে৷






মন্তব্য চালু নেই