মেইন ম্যেনু

রাত হলেই পাল্টে যায় এই জঙ্গলের চেহারা

দিনের আলোয় যে স্থান পাখিদের গুঞ্জন আর রংবেরঙের ফুলে মুখরিত থাকে, রাতে সেই এলাকার চেহারা এক্কেবারে পাল্টে যায়৷ কোনও এক অজানা আতঙ্ক গ্রাস করে এই এলাকাকে৷ দম বন্ধ করা ঘন কালো অন্ধকারে ঘটে অনেক অলৌকিক ঘটনা৷ দিল্লির সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এই সঞ্জয় বনকে৷

১০ কিলোমিটার বিস্তৃত এই জঙ্গলকে ঘিরে নানা গল্প-কাহিনী ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে৷ যা শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে৷ সন্ধে নামলেই একটি নির্দিষ্ট গাছের নিচে অনেক মোমবাতি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়৷ তাঁদের বিশ্বাস, মোমবাতির আলোতেই পিরবাবার আত্মা এই জঙ্গলে আসেন৷

পাথরের উপর দিয়ে তিনি হেঁটে এগিয়ে যান৷ কবরস্থানে চারিদিকে ঘোরেন। পির হজরত শেখ সাহাবুদ্দিন আশিকুল্লা জীবিত অবস্থায় দরিদ্রদের মুখে খাবার তুলে দিতেন৷ তাই অনেকেই বিশ্বাস করেন, পিরবাবা আজও প্রতি রাতে এখানে আসেন।

আবার অনেকে বলেন, এই কবরস্থানে অনেক মুসলিম শিশুকে কবর দেওয়া হয়েছে৷ রোজ রাতে জঙ্গলের মধ্যে থেকে শিশুদের অতৃপ্ত আত্মার কান্না আর হাঁটাচলার শব্দ ভেসে আসে৷ তাই রাতে সাধারণত এই এলাকায় কেউ যান না৷ গেলেও একা তো একেবারেই নয়৷

এর পাশাপাশি সঞ্জয় বনকে ঘিরে আরও একটি প্রচলতি গল্প আছে৷ যা এসবের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর৷ মূলত এই আতঙ্কেই কেউ জেনে-শুনে সঞ্জয় বনের দিকে হাঁটেন না৷ আপনিও জেনে রাখুন৷ কথিত আছে, সঞ্জয় বনের পিপুল গাছে এক মহিলা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন৷

আজও রাতে সাদা শাড়ি পরে এক মহিলাকে ঘুরতে দেখেছেন অনেকে৷ অশরীরীদের উপস্থিতি সঞ্জয় বনকে বাকি দুনিয়া থেকে একেবারে আলাদা করে দেয়৷ স্থানীয়দের কথা বিশ্বাস না হলে একবার ঘুরে আসতে পারেন৷ তবে সাবধান৷ ভুল করেও রাতে সেখানে একা যাবেন না।-সংবাদ প্রতিদিন



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই