মেইন ম্যেনু

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভাষাসৈনিক রাজ্জাকের দাফন

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট আবদুর রাজ্জাকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বাদ জোহর রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে তৃতীয় জানাযার নামাজ শেষে হেতমখাঁ কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

রোববার রাতে তার মরদেহ ঢাকা থেকে রাজশাহী পৌঁছায়। রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে মরদেহ রাখা হয়। দুপুর ১২টায় রাজশাহী কোর্ট চত্বরে তার প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাদ জোহর সোনাদীঘি মসজিদে দ্বিতীয় এবং এর পরেই রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তার তৃতীয় জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার উত্তরায় তার বড় ছেলে রাজিব আহমেদের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি দুই ছেলে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রহী রেখে গেছেন।

সোমবার জানাযার নামাজের আগে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা অর্থাৎ গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সেখানে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহীর প্রাক্তন সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাষিশ প্রামাণিক দেবু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও লেখক রুহুল আমিন প্রামাণিক।

আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে পারভেজ আহমেদ পাপেল জানান, তিনি গত ১৪ জুলাই ঈদ উদযাপন করতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ করে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আবদুর রাজ্জাক। তিনি ১৯৫৩ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের স্কুলবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৫ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি ছিলেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছাড়াও ১৯৯২ সালে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুর রাজ্জাক।

এছাড়া আবদুর রাজ্জাক ১৯৫২ সালে রাজশাহী কলেজে নির্মিত দেশের প্রথম শহীদ মিনারের নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই