মেইন ম্যেনু

ফখরুলদের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৪ সেপ্টেম্বর

রিজভীকে ১০ দিন রিমান্ডে চায় পুলিশ

হরতাল-অবরোধের সময় দায়ের করা নাশকতার মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে চাচ্ছে পুলিশ। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী বুধবার দিন ঠিক করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হোসেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন পেয়ে শুনানির জন্য ওই দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ মুন্সী ।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর পল্টন থানা এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এসআই আবদুল মালেক হাওলদার এ মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে গত ২৮ মে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমদকে পল্টন ও মতিঝিল থানার তিন মামলায় ২৭ দিনের রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৯ দফায় রিজভী আহমেদের ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ওই রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠার আদালত। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর বৃহস্পতিবার রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ।

চলতি বছর ৩০ জানুয়ারি রাত পৌনে ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানের পার্ক রোডের একটি বাসা থেকে র‌্যাবের হাতে আটক হন রিজভী।

ফখরুলদের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৪ সেপ্টেম্বর

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধাদানের অভিযোগের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৪১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলী মাসুদ শেখ আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিকালে আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেজবাহ আদালতকে জানান যে, উচ্চ আদালত থেকে তাদের মোয়াক্কেলদের জামিনের জন্য চেষ্ট করা হচ্ছে এবং তারা আশাবাদী যে খুব সহসাই মির্জা ফখরুলসহ এই মামলার কারাবন্দি নেতাদের জামিন হবে এবং তাদের উপস্থিতিতে চার্জ গঠনের শুনানির জন্য সময় প্রয়োজন।

অপরদিকে আইনের বিধান মোতাবেক রাষ্ট্রপক্ষে আগামি ধার্য তারিখে আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য পিডব্লিউ ইস্যুর আবেদন করা হয়েছে এবং বিচারক তা মঞ্জুর করেছেন বলে বাংলামেইলকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকউটর অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান।

গত বছরের ৭ আগস্ট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির ৪১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

গত বছরের ৫ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক দীপক কুমার দাস দণ্ডবিধি ও বিষ্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটের উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমান উল্লাহ আমান, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মির্জা আব্বাস, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল ইসলাম নীরব, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বরকত উল্লাহ বুলু, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।

২০১৩ সালের ২ মার্চ বিকেল ৩টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মগবাজার পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচিতে হাজারেরও অধিক নেতাকর্মী অস্ত্রশস্ত্র, ইটপাটকেল, লাঠিসোঠা ও লোহার রড নিয়ে রাস্তায় চলাচলরত যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

এ সময় তারা মানুষ ও পুলিশ হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় বলে চার্জশিটে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রমনা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আলী হোসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৩৭জনকে আসামি করে রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।






মন্তব্য চালু নেই