মেইন ম্যেনু

রিমান্ড শেষে তাহমিদ কারাগারে

গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় আটক তাহমিদ হাসিব খানকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির আসামি তাহমিদকে ছয়দিনের রিমান্ড শেষে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের জিআরও রনপ কুমার ভক্ত এ বিষয়ে এনটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ছয়দিনের রিমান্ড শেষে তাহমিদকে আদালতে হাজির করা হয়। কিন্তু তাঁকে আর নতুন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়নি।

গত ১৩ আগস্ট ছয়দিন ও ৪ আগস্ট আটদিনসহ মোট ১৪ দিন রিমান্ড খেটেছেন তাহমিদ।

এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে জঙ্গিরা। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডো অভিযানে জিম্মি দশার অবসান হয়।

তার আগেই ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। জিম্মিদের উদ্ধার করতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। কমান্ডো অভিযানে মৃত্যু হয় পাঁচ জঙ্গি ও রেস্তোরাঁর এক কর্মীর।

আইএস ওই হামলার দায় স্বীকার করে পাঁচ হামলাকারীর ছবি প্রকাশ করলেও পুলিশ এ ঘটনার জন্য দেশীয় জঙ্গিদের দায়ী করে আসছে।

সেদিন অভিযান শেষে উদ্ধার ১৩ জনসহ ৩২ জনকে নেওয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে। জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হলেও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম ও এক শিল্পপতির ছেলে তাহমিদ হাসিব খানকে ফিরে না পাওয়ার কথা জানানো হয় পরিবারের পক্ষ থেকে।

এরপর পুলিশ জানায়, গত ৩ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাহমিদকে এবং গুলশান আড়ংয়ের সামনে থেকে হাসনাতকে আটক করা হয়। হাসনাত বর্তমানে গুলশান থানার মূল মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে হাসনাতকে ২০১২ সালে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অপরদিকে ব্যবসায়ী শাহরিয়ার খানের ছেলে তাহমিদ কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।

গুলশানের ঘটনার একদিন আগে দেশে ফিরে ইফতারের পর বন্ধুদের সঙ্গে তিনি ওই রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি।






মন্তব্য চালু নেই