মেইন ম্যেনু

রেকর্ড গড়ে স্বরূপে ফিরলেন রোনালদো

গত মৌসুমে লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের শেষ দুই ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এক মৌসুমে ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ডও গড়েছিলেন। অথচ সেই গোল কি না এ মৌসুমে রোনালদোর কাছে মরীচিকায় পরিণত হয়েছিল!

প্রাক-মৌসুমে ছয় ম্যাচ মিলিয়ে রোনালদো গোল করেছিলেন মাত্র একটি। লা লিগায় প্রথম দুই ম্যাচে ছিলেন গোলশূন্য। জাতীয় দলের জার্সিতেও দুই ম্যাচে কোনো গোল পাননি। ফলে বেশ সমালোচনা হজম করতে হচ্ছিল তিনবারের ফিফা বর্ষসেরা এই খেলোয়াড়কে।

তবে এবার সমালোচনার জবাবটা নিজের পারফরম্যান্স দিয়েই দিলেন রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে সেরা এই তারকা। রোনালদো নামের আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণটা ঘটিয়ে দিলেন এক মাচেই। লা লিগায় রিয়ালের তৃতীয় ম্যাচে এসপানিওলের বিপক্ষে রোনালদো একাই করলেন পাঁচ গোল। স্বরূপে ফেরার দিনে লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ডও গড়লেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

শনিবার রোনালদোর পাঁচ গোলে এসপানিওলকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে রিয়াল। করিম বেনজেমার করা দলের অপর গোলটিতেও অবদান ওই রোনালদোর। এদিন প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের ৭ থেকে ২০, মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যেই হ্যাটট্রিক করেন সিআর-সেভেন। অবশ্য এর মধ্যে একটি গোল করেছেন পেনাল্টি থেকে। তবে হ্যাটট্রিকের খাতায় তো আর পেনাল্টি থেকে লেখা থাকবে না! রোনালদো এই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে লা লিগায় লিওনেল মেসির সবচেয়ে বেশি হ্যাটট্রিকের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। লিগে বার্সা তারকা মেসি ও রোনালদোর হ্যাটট্রিক এখন সমান ২৪টি করে।

মাত্র ১৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক করা রোনালদো অপর দুটি গোল করেন ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। নিজের চতুর্থ গোলটি করেই কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসের রেকর্ড ভেঙে লা লিগার রিয়ালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েন রোনালদো। ৫৫০ ম্যাচে ২২৮ গোল নিয়ে এতদিন রেকর্ডটি দখলে রেখেছিলেন ২০১০ সালে ফুটবলকে বিদায় জানানো রাউল। তবে মাত্র ২০৩ ম্যাচ খেলেই রাউলের রেকর্ড ভেঙে দিলেন রোনালদো।

এসপানিওলের জালে পঞ্চমবার বল জড়িয়ে নিজের গোল-উৎসবের ইতি টানেন রোনালদো। রিয়াল ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো এক ম্যাচে পাঁচ গোল করলেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। আর এতেও নিজেকে আরেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন সিআর-সেভেন। রিয়ালের জার্সিতে দুই ম্যাচে পাঁচ গোল করা একমাত্র খেলোয়াড় যে রোনালদোই। সেই সঙ্গে লা লিগায় রিয়ালের হয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়াল ২৩০টি।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই