মেইন ম্যেনু

রেস্তোরাঁর খাবারে মিলল কনডম

খাবারে চুল দেখলে অনেকের গা গুলিয়ে ওঠে। অনেকে আবার রাগে সেই খাবার ফেলেও দেন। ফ্রি হিসেবে গিন্নির বকুনিও খেতে হয় কর্তাবাবুর। কিন্তু সেই খাবারেই যদি মোড়ক খোলা কনডম থাকে, তাও নামিদামি রেস্তোরাঁয়, তাহলে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া ছাড়া কি উপায় আছে?

শনিবার ভারতের জামশেদপুরে টাটা স্টিলের এক কর্মকর্তাকে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।

তিনি জানান, শনিবার তিনি Gravycart.com অ্যাপের মাধ্যমে দোসা হাট নামের একটি রেস্টুরেন্টে ‘স্প্রিং রোল দোসা ও চিলি পনির’ অর্ডার করেন।

নির্ধারিত সময়ে সেই খাবারও পৌঁছে যায় তার কাছে। কিন্তু খাবারের প্যাকেট খুলতেই তার ভিরমি খাওয়ার দশা। চিলি পনিরের মধ্যেই পড়ে রয়েছে একটি কনডম।

তিনি বলেন, ‘চিলি পনিরের বাক্সটি খোলার পর যা দেখলাম তা ছিল রুচিহীন, অমানবিক ও ভয়ংকর- প্যাকেটের ভেতরে আস্ত একটি কনডম।’

তত্‍ক্ষণাৎ এ নিয়ে অ্যাপে অভিযোগ করেন ওই নারী। এর পরই সেই খাবার সরবরাহকারী ছেলেটি ফিরে আসে। এ সময় সে খাবারের প্যাকেটটি ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং এর জন্য ওই নারীকেই দুষতে থাকে। তার দাবি, এই প্যাকেট থেকে খাবার খাওয়া হয়েছে।

তবে ওই নারী বলেন, ‘আমি কেবল খাবারের প্যাকেটটি খুলেছি এবং আমি যা দেখেছি তারপর খাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সে নিজেকে নির্দোষ সাজানোর চেষ্টা করছিল এবং আমাকে খাবার নষ্ট করার অভিযোগে দুষছিল।’

পরে অবশ্য সেই খাবার ফেরত নিয়েছে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ এবং ওই নারীকে পুরো দাম ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

তবে দোসা হাটের মালিক সুদীপ দত্ত এর মধ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, যখন খাবার ফেরত দেওয়া হয়েছে, তখন এর অর্ধেক ছিল খাওয়া।

সুদীপ বলেন, ‘যদি এটা দুর্ঘটনাক্রমেও প্যাকেটের মধ্যে পড়ে থাকে, তাহলেও এটি মিশে যাওয়ার কথা। আমরা গরম খাবার পরিবেশন করি এবং সরবরাহ করতে যে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে, তার মধ্যে এটি গলে যাওয়ার কথা অথবা কমপক্ষে এর চেহারা পাল্টে যাওয়ার কথা।’



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই