মেইন ম্যেনু

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজে দেবে যে ৬টি খাবার

বাংলাদেশের আবহাওয়াটা এমনই। এখানে ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়াটা স্বাভাবিকই। তবে সে জন্য আপনাকে দেহের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এটা আপনার দেহে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। দেহের কোষ ও তরল উপাদানের যৌথ ক্রিয়ায় ক্ষতিকর উপাদানগুলো চিহ্নিত করে তাদের প্রতিরোধ করে। এ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করবে এটাই স্বাভাবিক।

রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার সেরা উপায় হচ্ছে খাদ্য। এ ছাড়া এমন খাদ্য-পানীয় এড়িয়ে যেতে হবে যা এ ব্যবস্থাকে আরো দুর্বল করে দেয়। অ্যালকোহল বা ধূমপান থেকে দূরে যেতে হবে। যথেষ্ট পরিমাণ পানি খেতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কোলেস্টরেল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মানসিক চাপও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে।

স্বাস্থ্যকর খাবারে রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এমনই ৫টি খাবারের কথা যা রোগকে দূরে রাখবে।

১. তুলসি গ্রিন টি : খুব সহজে এটি ব্যবহার করা যায়। তুলসি ও গ্রিন টি দেহের জন্য দারুণ উপকারী। এগুলো অর্গানিক, ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী, ক্যালোরি অনেক কম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। স্বাদও ভালো। তুলসির গ্রিন টি খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থা শক্তিশালী হয়।

২. আমলকির জুস : আমলকির জুস ও মধুর মিশ্রণে রয়েছে পুনরুজ্জীবনের শক্তি। এই জুস তৈরি হয় শতভাগ অর্গানিক আমলকি থেকে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের দারুণ উৎস। এই জুসে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণ মাইক্রনিউট্রিয়েন্ট। দেহের বিষাক্ত উপাদান বের করে দিয়ে রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডায়াবেটিসেও দারুণ উপকারী।

৩. অর্গানিক ফরেস্ট হানি : প্রক্রিয়াজাত চিনি বাদ দিয়ে খাবারকে মিষ্টি করতে চান? তাহলে অর্গানিক ফেস্ট হানি খেতে পারেন। এতে প্রাকৃতিক স্বাদ মেলে। রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৪. সূর্যমুখীর বিচি : যেকোনো খাবারে ছড়িয়ে দিয়ে উপভোগ করা যায়। সালাদেও ব্যবহার করা যায়। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন ই, বি১, কপার এবং অতি প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ অন্যান্য খনিজ। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারুণ কার্যকর।

৫. অশ্বগন্ধার পাওডার : এট বহুকাল ধরে ভারতের চমনপ্রাশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। একে ভারতীয় জিনসেং বলে ডাকেন অনেকে। অশ্বগন্ধার অর্থ ঘোড়ার গন্ধ। বিশ্বাস করা হয়, যারা এটি খায় তাদের শক্তি বৃদ্ধি পায় ঘোড়ার মতো। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধীব্যবস্থাকে জোরদার করে।

৬. নিম পাতা রস : আদি কাল থেকেই এটির ব্যবহার হয়ে আসছে। পেটের বিভিন্ন প্রদাহ কিংবা শরীরের খোস-পাঁচড়া নিরাময়ে এটি অনেকটা কাজে দেয়।






মন্তব্য চালু নেই