মেইন ম্যেনু

রোজার দুপুরে স্বস্তির বৃষ্টি

রমজানে স্কুল বন্ধ থাকায় গৃহবধূ নাজমা বেগম শনিবার সকালে ছেলেকে প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে নিয়ে যেতে রওনা হন। বাসা থেকে বের হতেই হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। শিক্ষকের বাসায় পৌঁছানোর আগেই নামে বৃষ্টি। বৃষ্টিতে মা-ছেলে ভিজে বাসায় ফিরলেও অখুশি নন তারা। ভ্যাপসা গরম থেকে তো রক্ষা পেলেন।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে নাজমা বেগম বলেন, বৃষ্টিতে ভিজতে ভালোই লেগেছে। গরম থেকে স্বস্তি পাওয়া গেছে।

শনিবার ঢাকায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে ৯ জুন বৃহস্পতিবার রেকর্ড করা হয়েছিল ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি।

আবহাওয়া অধিদফতরের পর্য়বেক্ষক আবদুর রহমান জানান, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার বাইরে হাতিয়ায় ২৭, পটুয়াখালীতে ২৮, টেকনাফে ১২৫, কুতুবদিয়ায় ১৯, কক্সবাজারে ৭, খুলনায় ৩, সন্দীপে ৫, মাইজদিকোটে ২, যশোরে ২, বগুড়ায় ১৭, রংপুরে ৪০, সৈয়দপুরে ২৪, দিনাজপুরে ১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়া খেপুপাড়া ও ঈশ্বরদীতে ট্রেস (এক মিলিমিটারের কম) বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলেছে, চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিরাজমান লঘু চাপটি গুরত্বহীন হয়ে পড়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ ও তৎসংলগ্ন উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পযর্ন্ত বিস্মৃত রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। পরবতী ২৪ ঘণ্টায় তা চট্টগ্রাম বিভাগ পযর্ন্ত অগ্রসর হতে পারে।

পূবার্ভাসে আরো বলা হয়, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই